হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন রাগিব সামাদ টিবিএসকে জানান, রাত ১১টা ৪৩ মিনিটের দিকে ফ্লাইটটি বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
তিনি আরও বলেন, এই চালানের স্থানান্তর ও পরিবহন-সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য গোপনীয় রাখা হয়েছে।
এর আগে শুক্রবার রাতে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত আকস্মিকভাবে বিমানবন্দর পরিদর্শনে যান। সে সময় তিনি জানান, রূপপুরের ইউরেনিয়াম চালানটি নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
উড়োজাহাজটির প্রথমে শুক্রবার বিকেলে বাংলাদেশে পৌঁছানোর কথা থাকলেও কয়েক ঘণ্টা দেরিতে অবতরণ করে।
বিদ্যুৎকেন্দ্রটির প্রথম ইউনিটে ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত এই চালানটি পৌঁছানোর কথা ছিল গত ২৪ সেপ্টেম্বর। তবে পাকিস্তান তাদের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ায় চালানটি সরবরাহে বিলম্ব ঘটে।
গত ২৮ সেপ্টেম্বর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, চালানটি পাকিস্তানের ক্লিয়ারেন্স পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে।
ওই সময় সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘পাকিস্তান এখনো ক্লিয়ারেন্স দেয়নি। বিমানটির যাতায়াতের পথে আজারবাইজান, কাজাখস্তান, পাকিস্তান ও ভারতের মতো কয়েকটি দেশ রয়েছে। অতীতে যেভাবে পাকিস্তান থেকে অনুমতি পাওয়া গিয়েছিল, এবারও তা পাওয়া যাবে। হয়তো কোনো যোগাযোগের ঘাটতির কারণে অনুমোদনটি আটকে ছিল, তবে এটি দ্রুতই সমাধান হয়ে যাবে।’
রাশিয়ার তৈরি চার ইঞ্জিনবিশিষ্ট ইলিউশিন আইএল-৭৬ কার্গো বিমানে করে এই ইউরেনিয়াম বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয়।






