দীর্ঘদিন ধরে দেশের একাধিক চক্র আইপিএল, বিপিএল, সিপিএলসহ বিভিন্ন খেলায় বাজির মাধ্যম হিসেবে বেট৩৬৫ ও ৯-উইকেটসহ বিভিন্ন অনলাইন ওয়েবসাইট ব্যবহার করে ভার্চুয়াল কারেন্সির মাধ্যমে জুয়া খেলার আয়োজন করে আসছে। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সিআইডি এই চক্রের ৫ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে।
৩ই মার্চ বৃহস্পতিবার দেশের গোয়েন্দা সংস্থা সিআইডির বরাত দিয়ে জানা যায়, অবৈধভাবে ই-ট্রানজেকশনের মাধ্যমে বিদেশে অর্থপাচার ও যুবসমাজের নৈতিক অবক্ষয়ের অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। অনলাইন গেম্বলিং চক্রের এজেন্ট তোফায়েল ইসলাম রাসেল (২৭) ও তার অন্যান্য সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও হোয়াটস অ্যাপ ব্যবহার করে বিভিন্ন মেসেঞ্জার গ্রুপে যুক্ত হয়। তারা দেশের যুব সমাজের উল্লেখযোগ্য অংশকে অল্প সময়ে প্রচুর অর্থ উপার্জনের লোভ দেখিয়ে অনলাইন বেটিংয়ে আসক্ত করে আসছে।
সিআইডি ঢাকা মেট্রো দক্ষিণ বিষয়টি অবহিত হলে, সিআইডি ঢাকা মেট্রো দক্ষিণের একটি বিশেষ টিম ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জ থানা এলাকাসহ ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় চক্রের মূলহোতা তোফায়েলসহ ৫ সদস্যকে গ্রেফতার করে সিআইডি। গ্রেফতারকৃত তোফায়েল প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, সে অনার্সের ছাত্র। তার ইংরেজি ভাষায় বিশেষ দক্ষতা থাকায় অনলাইন গ্যাম্বলিংয়ে ভার্চুয়াল ডলার সংগ্রহ করে, তা বিভিন্ন মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবহার করে বাংলাদেশি মুদ্রায় পরিণত করার জন্য নেটেলার ও স্ক্রিলনামক ভার্চুয়াল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে থাকে।
এ ছাড়াও সে নিজে ইংল্যান্ড ভিত্তিক বেট৩৬৫ নামক অনলাইন গ্যাম্বলিং অ্যাকাউন্ট বিশেষ প্রক্রিয়ায় সংগ্রহ করে অর্থের বিনিময়ে অন্যদের মধ্যে সরবরাহ করে এবং তাদের নিকট ভার্চুয়াল মুদ্রা জোগান নিশ্চিত করে। সে নিজে এই বিষয়ে বিশেষভাবে পারদর্শী হওয়ায় সামাজিক বিভিন্ন যোগাযোগমাধ্যমে ডলার বাই অ্যান্ড সেলিং নামক বিভিন্ন গ্রুপের এজেন্ট হিসেবে কাজ করে।
সিআইডি জানিয়েছে, আসামিরা এ ধরনের কাজে এখন পর্যন্ত তৎপর রয়েছে। বাকিদের গ্রেফতার ও আইনের আওতায় আনতে সিআইডি তাদের চলমান অভিযান অব্যাহত রাখবে বলে জানিয়েছে।







