আগামী এক বছরের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে জনশক্তি রপ্তানির ক্ষেত্রে এক লাখ পর্যন্ত কর্মী বাড়াতে আলোচনা করছে বাংলাদেশ ও রাশিয়া।মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বর্তমানে প্রায় ১০ হাজার বাংলাদেশি রাশিয়ায় কাজ করছেন। সেখানে জনশক্তি রপ্তানি এক লাখে উন্নীত করার বিষয়ে রুশ কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাব দেয়া হলে তারা দ্রুত এ বিষয়ে কাজ করতে সম্মত হয়। উভয়পক্ষ শিগগিরই এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
জনশক্তি রপ্তানি ছাড়াও উভয়পক্ষ একমত হয়েছে যে, বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ সম্ভাবনার তুলনায় অনেক কম। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাশিয়ার বাজারে বাংলাদেশি জনশক্তি রপ্তানি, বিশেষ করে তৈরি পোশাক ও ওষুধের দ্রুত বৃদ্ধির সম্ভাবনার ওপর জোর দেন।
বর্তমানে প্রায় ১০ হাজার বাংলাদেশি রাশিয়ায় কর্মরত আছেন। এ বিষয়ে উভয় পক্ষ শিগগিরই প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (৯ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।এতে বলা হয়, উভয় পক্ষ একমত হয়েছে যে বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ সম্ভাবনার তুলনায় অনেক কম।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাশিয়ার বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি, বিশেষ করে তৈরি পোশাক ও ওষুধ রপ্তানি দ্রুত বাড়ানোর সম্ভাবনার ওপর জোর দেন। এ প্রসঙ্গে, আগামী সপ্তাহে বাংলাদেশ থেকে একটি ব্যবসায়িক প্রতিনিধিদলকে আতিথেয়তা দেওয়ার প্রস্তাবকে রুশ পক্ষ স্বাগত জানিয়েছে।
এ সফরকালে প্রযুক্তি, বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ক্ষেত্রে সহযোগিতার বিষয়টি বিশেষভাবে আলোচিত হয়।পররাষ্ট্রমন্ত্রী রহমান কৃষি ও স্বাস্থ্য খাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) প্রয়োগ বিষয়ে একটি প্রতিনিধিদলের বাংলাদেশ সফরের প্রস্তাব দেন, যাতে রুশ কর্তৃপক্ষ সানন্দে সম্মত হয়।
রুশ কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশের জাতীয় এআই নীতি প্রণয়নে এবং বাংলাদেশে এআই ক্ষেত্রে উৎকৃষ্ট মানের প্রতিষ্ঠান স্থাপনে সহায়তা করার আগ্রহও প্রকাশ করেছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান তিনদিনের সফরে রাশিয়ায় রয়েছেন। তার সঙ্গে রয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।