কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কাঁচামালের দাম বৃদ্ধি এবং উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় ওষুধ উৎপাদন অব্যাহত রাখা কঠিন হয়ে পড়েছিল। একই সঙ্গে বাজারে এসব ওষুধের সরবরাহ ঘাটতির ঝুঁকিও তৈরি হচ্ছিল।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ক্যান্সার চিকিৎসায় ব্যবহৃত কার্বোপ্লাটিন ও সিসপ্লাটিন ইনজেকশনের দাম ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।
এছাড়া টিটেনাস প্রতিরোধে ব্যবহৃত অ্যান্টি-টিটেনাস ইমিউনোগ্লোবুলিন ইনজেকশন এবং সিরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়া তৈরি কয়েকটি শিশুদের ভ্যাকসিনের দামও ‘সংশোধন’ করা হয়েছে।
এনপিপিএ জানায়, এসব ওষুধের কাঁচামালের দাম সাম্প্রতিক সময়ে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ফলে উৎপাদন অব্যাহত রাখা ও বাজারে সরবরাহ বজায় রাখতে মূল্য সমন্বয় জরুরি হয়ে পড়ে।
কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, নতুন নির্ধারিত দাম ছয় মাস পর পুনরায় পর্যালোচনা করা হবে।
সূত্র: রয়টার্স







