বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, অর্ডিনারি ও অ্যাসোসিয়েট গ্রুপের ১৮ জন পরিচালক নির্বাচনে ভোটগ্রহণ আগামী ২৩ মে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত নগরের আগ্রাবাদস্থ ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার-এ অনুষ্ঠিত হবে।
চিটাগাং চেম্বারের সর্বশেষ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০১৩ সালের ৩০ মার্চ। এরপর দীর্ঘ সময় ধরে নানা জটিলতায় নির্বাচন বন্ধ থাকায় প্রশাসকের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছিল সংগঠনটির কার্যক্রম।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ওই বছরের ৯ সেপ্টেম্বর চেম্বারের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব নেন তৎকালীন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মুহাম্মদ আনোয়ার পাশা। পরে পর্যায়ক্রমে প্রশাসকের দায়িত্ব পান মোহাম্মদ নূরুল্লাহ নূরী এবং বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন মো. মোতাহের হোসেন। প্রায় ২০ মাস ধরে প্রশাসকের মাধ্যমে পরিচালিত হওয়ায় ব্যবসায়ী মহলে নির্বাচনের দাবি জোরালো হয়ে ওঠে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, দীর্ঘদিন একক আধিপত্য ও নির্বাচনের অনিশ্চয়তায় সাধারণ সদস্যরা কাঙ্ক্ষিত সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। তাদের মতে, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে চেম্বারে আবারও গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরে আসবে এবং ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষায় কার্যকর নেতৃত্ব গড়ে উঠবে।
নির্বাচনের তারিখ ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছে সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ শিপিং এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বার্থ অপারেটরস এবং শিপ হ্যান্ডলিং অপারেটরস অ্যান্ড টার্মিনাল অপারেটরস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন-সহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠন।
চেম্বারের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী অর্ডিনারি গ্রুপ থেকে ১২ জন এবং অ্যাসোসিয়েট গ্রুপ থেকে ৬ জন পরিচালক সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হবেন। এছাড়া টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপের ৬ জন পরিচালক সমঝোতার ভিত্তিতে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। পরে মোট ২৪ জন পরিচালকের ভোটে সভাপতি, সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সহ-সভাপতি নির্বাচিত করা হবে।
বর্তমানে চেম্বারে সাধারণ সদস্য ৪ হাজার ১ জন, সহযোগী সদস্য ২ হাজার ৭৬৪ জন, টাউন অ্যাসোসিয়েশন সদস্য ৫ জন এবং ট্রেড গ্রুপ সদস্য ১০ জনসহ মোট সদস্য সংখ্যা ৬ হাজার ৭৮০।
এবারের নির্বাচনে দুটি প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। একটি আমিরুল হক-এর নেতৃত্বাধীন ‘ইউনাইটেড বিজনেস ফোরাম’ এবং অন্যটি এস এম নুরুল হক-এর নেতৃত্বাধীন ‘সমমনা পরিষদ’।







