দেশে আসন্ন ঈদুল আযহায় কোরবানির পশুর প্রাপ্যতা আশা করা হচ্ছে ১ কোটি ২৩ লাখ ৩৩ হাজার ৮৪০টি। এর মধ্যে গরু ও মহিষ ৫৬ লাখ ৯৫ হাজার ৮৭৮টি বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।
রোববার সচিবালয়ে আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে কোরবানির পশুর চাহিদা নিরূপণ বিষয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন মন্ত্রী। এ সময় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু উপস্থিত ছিলেন।
প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, কোরবানিযোগ্য ছাগল ও ভেড়া-৬৬ লাখ ৩২ হাজার ৩০৭টি এবং অন্যান্য প্রজাতি যেমন উট, দুম্বা ইত্যাদি ৫ হাজার ৬৫৫টি আছে।
তিনি বলেন, এবার সারাদেশে কোরবানিযোগ্য গবাদি পশুর চাহিদা ১ কোটি ১ লাখ ৬ হাজার ৩৩৪টি। সে হিসেবে এ বছর দেশে ২২ লাখ ২৭ হাজার ৫০৬টি পশু উদ্বৃত্ত আছে।
মন্ত্রী আরো বলেন, গত বছর ঈদুল আযহায় কোরবানিযোগ্য গবাদিপশুর মোট প্রাপ্যতা ছিলো ১ কোটি ২৪ লাখ ৪৭ হাজার ৩৩৭ টি। বিগত বছরে জবাইকৃত গবাদিপশুর সংখ্যা ছিল ৯১ লাখ ৩৬ হাজার ৭৩৪ টি।
হিসাব অনুযায়ী ৩৩ লাখ ১০ হাজার গবাদিপশু উদ্বৃত্ত থেকে যায়।
তিনি বলেন, গত বছরের তথ্য প্রমাণ করে যে, দেশে কোরবানির পশুর কোনো ঘাটতি নেই। নিজেদের উৎপাদিত পশু দিয়েই জাতীয় চাহিদা পূরণ সম্ভব কোরবানির পশু আমদানির কোনো প্রয়োজন নেই। কিন্তু বর্তমান সরকারের ধারাবাহিক নীতি সহায়তা, খামারি প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নের ফলে বাংলাদেশ আজ আত্মনির্ভরশীল।
এটি দেশের খামারিদের জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক সংবাদ। কারণ আমরা ন্যায্য মূল্য পাবেন এবং দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী হবে বলে জানান প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী।







