তিনি বলেন, এ ধরনের ঘটনা জনপ্রশাসনকে দুর্নীতির দিকে ঠেলে দেয় এবং কর্মকর্তাদের নিরপেক্ষতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।
তারেক রহমান বলেন, জনরায়ের প্রতিফলন ঘটলে যে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব, তা ১২ ফেব্রুয়ারি প্রমাণিত হয়েছে।
তারেক রহমান বলেন, ফ্যাসিবাদী শাসনামলে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে এবং বিগত সরকার ৩০ লাখ কোটি টাকার ঋণের বোঝা রেখে গেছে। সেই পরিস্থিতির মধ্যেই এই সরকারকে কাজ শুরু করতে হয়েছে। ওই সময় দেশকে পুরোপুরি আমদানিনির্ভর করে ফেলা হয়েছিল। বিচার বিভাগ, শিক্ষা খাত ও দুদক– সবই ছিল অকার্যকর। স্বাস্থ্য ব্যবস্থাও ছিল ভঙ্গুর।
তিনি আরও বলেন, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জনভোগান্তি হয়েছে, তবে সরকার তা মোকাবিলা করে যাচ্ছে। একটি কল্যাণ রাষ্ট্র গঠনে সরকার ইতোমধ্যে বিভিন্ন কাজ শুরু করেছে।
সম্মেলনে মাঠ পর্যায়ে কাজ করার জন্য ডিসিদের বেশকিছু সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সন্ধ্যার মধ্যে মার্কেট বন্ধ রাখার যে সিদ্ধান্ত সরকার নিয়েছে, তা বাস্তবায়নে ডিসিদের কাজ করতে হবে।
একইসঙ্গে মোবাইল কোর্টের (ভ্রাম্যমাণ আদালত) কার্যক্রম বাড়ানো এবং জনগণের ন্যায্য অভিযোগগুলো সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখার নির্দেশ দেন তিনি।
তারেক রহমান বলেন, দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা করতে হবে। বাল্যবিবাহ বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি খাদ্যে ভেজালকারীদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া যাবে না। এছাড়া সব জেলায় ছাত্রছাত্রীদের সংস্কৃতি বা খেলাধুলার প্রতিযোগিতা শুধু শীতকাল নয়, সব মৌসুমে আয়োজনের ব্যবস্থা নিতে ডিসিদের উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।
দেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও সামাজিক অবস্থা ডিসিরা জানেন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশকে বন্যা ও খরা থেকে বাঁচাতেও আপনাদের কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।
বর্তমান সরকার মেধা ও যোগ্যতার মূল্যায়ন করবে জানিয়ে তিনি বলেন, সততা, মেধা ও দক্ষতাই বর্তমান সরকারের নীতি। এসব দেখেই জনপ্রশাসনে পদোন্নতি বা বদলি করবে সরকার, এটাই বিএনপির নীতি।
দেশকে বৈষম্যমুক্ত করার বিষয়ে তারেক রহমান বলেন, সমাজ থেকে পুরোপুরি বৈষম্য শেষ করা হয়ত সম্ভব নয়। তবে ধর্ম-বর্ণের কোনো বৈষম্য না করে একটি নৈতিক রাষ্ট্র গঠন করাই বিএনপি সরকারের মূল চাওয়া।







