ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেডের (ইবিএল) চেয়ারম্যান ও বিশিষ্ট শিল্পপতি শওকত আলী চৌধুরীকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও নিবন্ধনহীন কিছু অনলাইন পোর্টালে ডিবির হাতে আটক হয়েছেন—এমন একটি খবর প্রচার করা হচ্ছে। এটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও গুজব বলে প্রকাশ করেছেন খোদ তিনি নিজেই।
সেসব প্রতিবেদনে দেখা গেছে যে, কোনো আনুষ্ঠানিক সূত্র, মামলা সংক্রান্ত তথ্য, কিংবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য উল্লেখ করা হয়নি। এমনকি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্বশীল কোনো পর্যায় থেকেও এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা পাওয়া যায়নি।
শওকত আলী চৌধুরী দৈনিক অর্থনীতিকে জানিয়েছেন, ‘তাকে কোনো আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আটক করেনি’।
তিনি বলেন, ‘আমাকে গ্রেপ্তার বা আটক করার যে খবর প্রচার করা হচ্ছে, সেটির সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল নেই। এটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন গুজব এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমার সম্মান ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা’।
ব্যক্তি জীবনে ডিসকো শওকত কখনো আলোচনাতেই থাকেন না। অর্থ বা ব্যাংক ঋন নিয়ে কোন কেলেঙ্কারির কথাও কখনো শোনা যায়নি। তার ব্যবসা বাণিজ্য নিয়েও কোন নেতিবাচক কথা কেউ কখনো শোনেনি। বাংলাদেশ আয়কর বিভাগ থেকে ঘোষিত দেশের শীর্ষ ১০ জন ধনী ব্যাক্তির তালিকায় বহুবার এক নম্বরে থেকেছেন এই ডিসকো শওকত। তিনি ফিনলে প্রপার্টিজ-এর পরিচালক ও অংশীদার। এ ছাড়া তিনি ইস্টার্ণ ব্যাংক-এরও পরিচালক।
২০১৩-১৪ করবর্ষের সম্পদ বিবরণীর ভিত্তিতে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, দেশে ১০০ কোটি টাকার বেশি নিট সম্পদের মালিক রয়েছেন ২৫ জন। আর ৫০ কোটি বা তার চেয়ে বেশি টাকার নিট সম্পদের মালিকের সংখ্যা ৪৭। অর্থসম্পদের মালিকানা হিসাবে দেশের এক নম্বর শীর্ষ ধনী হিসেবে ঘোষিত হয়েছেন চট্টগ্রামের ডিসকো শওকত। দায় দেনা বাদ দিয়ে তার মোট নীট সম্পদের পরিমাণ টাকার অংকে ২৭৫ কোটি টাকা।
গণমাধ্যম সংশ্লিষ্টদের মতে, কোনো ব্যক্তি বা করপোরেট নেতার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তার বা বড় ধরনের অভিযোগ সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে যাচাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যথাযথ সূত্র ও সরকারি নিশ্চিতকরণ ছাড়া এ ধরনের খবর প্রকাশ ব্যক্তিগত সম্মানহানি ছাড়াও বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে।
সোশ্যাল মিডিয়াতে কিছু অনিবন্ধিত পোর্টাল মনগড়া, ভিত্তিহীনি নিজের ইচ্ছা মত পোস্ট করে মিথ্যা প্রপাগন্ডা ছড়াচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে খুব দ্রুতই আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
জানা যায়, শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ড এবং নানা ব্যবসায়িক খাতে তার বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ রয়েছে এবং তিনি দেশের একজন শীর্ষ করদাতা।
প্রদা/ডিও






