বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ১১টি দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বিষয়টি জানিয়েছেন দলটির যুগ্ম-মহাসচিব হুমায়ুন কবির।
জানা যায়, ঢাকায় নিযুক্ত কানাডার হাইকমিশনার এবং যুক্তরাষ্ট্রের নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে পৃথক পৃথক বৈঠক হয়। পরে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলারের নেতৃত্বে জার্মান, ফ্রান্স, সুইডেন, ডেনমার্ক, স্পেন ও ইতালিসহ ৯ রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে বৈঠক করেন তারেক রহমান।
বৈঠক শেষে হুমায়ুন কবির বলেন, ‘২৫ ডিসেম্বরের ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তনের পর আন্তর্জাতিক মহলেও তারেক রহমান বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক নেতা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন। আজকের বৈঠকের সূচিতে মোট ১১ জন রাষ্ট্রদূত তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।’
তিনি বলেন, ‘অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে এসব বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘ভবিষ্যতে সরকার গঠন করলে বিএনপির উন্নয়ন পরিকল্পনা, আমাদের ৩১ দফার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। বিএনপি সরকার গঠন করলে কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করা হবে বলে আলোচনায় উঠে আসে।’
চলমান অন্তর্বর্তী সরকারের কিছু অগ্রগতি আছে, ধারাবাহিকতাও বজায় রাখার কথা জানান হুমায়ুন কবির।
তিনি জানান, পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে ইতিবাচক অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখার বিষয়ে বৈঠকে উভয়পক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশকে আর কেউ নির্দেশনা দিতে পারবে না। অন্য দেশের নির্দেশনায় বাংলাদেশের মানুষ চলে না। সেটা আর কখনো ফিরে আসবে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদার।’ৈ
তিনি জানান, বৈঠকে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, রোহিঙ্গা ইস্যু ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
নির্বাচন বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘নির্বাচন নিয়ে দে আর ভেরি মাচ এক্সাইটেড। ডেমোক্রেটিক ট্রান্জিশন হতে যাচ্ছে। তারা এনভায়রনমেন্ট নিয়ে সন্তুষ্ট। বাংলাদেশের মানুষের মতো তারাও নির্বাচন নিয়ে এক্সাইটেড।’
প্রদা/ডিও






