চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের অফিস সহকারী শাহ আলম (৪৮)–কে ঘুষের টাকাসহ হাতেনাতে আটক করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম দুদক-২ এর একটি দল এ অভিযান পরিচালনা করে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদক চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক মুসাব্বির আহমেদ।
দুদকের সহকারী পরিচালক জানান, অবসরপ্রাপ্ত চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী মোহাম্মদ মোসাদ্দের মাসুদের (নিরাপত্তা প্রহরী) অবসরকালীন কাগজপত্র ঠিক করে ট্রেজারিতে পাঠানোর নামে অফিস সহকারী শাহ আলম ৯০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন। প্রথম দফায় ব্যাংক চেকের মাধ্যমে কিছু টাকা নেওয়ার পর বারবার চাপ দিয়ে আরও ২০ হাজার টাকা নগদ দাবি করা হয়।
পরে সমন্বিত দুদক দল অভিযান চালিয়ে অফিসের ড্রয়ার থেকে নগদ ঘুষের টাকা উদ্ধার করে শাহ আলমকে আটক করে। অভিযানের সময় অফিসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্রও জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে দুদক।
দুদকে অভিযোগকারী মোসাদ্দের মাসুদ বলেন, চাকরি থেকে অবসরের পর ফাইল ট্রেজারিতে পাঠানোর জন্য অফিস খরচের কথা বলে তার কাছ থেকে ৯০ হাজার টাকা দাবি করা হয়। হয়রানি এড়াতে তিনি ব্যাংক চেকের মাধ্যমে ৭০ হাজার টাকা পরিশোধ করেন।
এ বিষয়ে বাঁশখালী পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (এমসিএইচ) ডা. শামীমা আক্তার বলেন, অফিস সহকারী হিসেবে শাহ আলমের বিরুদ্ধে এমন আচরণের অভিযোগ তিনি আগে কখনো পাননি। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
অভিযানকালীন তদারক কর্মকর্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম দুর্নীতি দমন কমিশনের উপ-পরিচালক মো. রিয়াজ উদ্দিন। এ ছাড়া অভিযানে অংশ নেন দুদকের সহকারী পরিচালক মুসাব্বির আহমেদ, উপ-সহকারী পরিচালক জসীম উদ্দীন, সুরাইয়া সুলতানা ও আবুল হাসানসহ দুদক ও বাঁশখালী থানার কর্মকর্তারা।
প্রদা/ডিও






