চলতি বছরের জন্য বিশ্বব্যাপী খাদ্যশস্য উৎপাদনের পরিমাণও যেকোনো সময়ের তুলনায় বৃদ্ধি পাবে বলে উল্লেখ করে রোমভিত্তিক সংস্থা এফএও। ২০২১-২২ বিপণন মৌসুমের জন্য ব্যবহার পূর্বাভাস চলতি বছরের উৎপাদন পূর্বাভাসকে ছাড়িয়ে যাবে।
বিশ্বব্যাপী বেশি বাণিজ্য হওয়া খাদ্যপণ্যের দাম নিয়ে তৈরি এফএওর মাসিক খাদ্যপণ্যের মূল্যসূচক তালিকায় সেপ্টেম্বরের সূচক ছিল ১৩০ পয়েন্ট, যা ২০২০ সালের একই সময়ের তুলনায় ৩২ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি ও চলতি বছরের আগস্টের তুলনায় ২ শতাংশ বেশি। আগস্টে খাদ্যপণ্যের বৈশ্বিক মূল্যসূচক ছিল ১২৮ দশমিক ৫ পয়েন্ট। এ সময়ে বিশ্বব্যাপী কৃষিপণ্যের দামও বেড়েছে ব্যাপক হারে। চীনের চাহিদা বৃদ্ধি ফসল উৎপাদনের পরিমাণ হ্রাস পাওয়ায় এমনটা হয়েছে।
আগস্টের তুলনায় সেপ্টেম্বরে এফএওর শস্যের মূল্যসূচক বৃদ্ধি পেয়েছে ২ শতাংশ। আগস্টের তুলনায় গমের মূল্যসূচক ৪ শতাংশ ও গত বছরের তুলনায় ৪১ শতাংশ বৃদ্ধি পাওয়ায় শস্যের মূল্যসূচকে এর প্রভাব পড়েছে। পাশাপাশি বিশ্বব্যাপী চাল ও ভুট্টার মূল্যও বেড়েছে।
রাজধানীর বেশ কিছু বাজার ঘুরে জানা গেছে গত এক সপ্তাহে দাম বেড়েছে এমন পণ্যের তালিকায় রয়েছে, সয়াবিন তেল, পামঅয়েল ও দেশি পেঁয়াজ। তবে দাম কমেছে চিনি ও সরু চালের।
খুচরা বাজারে ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি হয় ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকা। আর প্রতি হালি ফার্মের লাল ডিম ৩৭ থেকে ৩৮ টাকায় বিক্রি হতে দেখা যায়, যা গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছে ৩৫ থেকে ৩৬ টাকায়।
কয়েক দফা বাড়ানোর পর তেল ও চিনি দাম বেড়ে প্রতি কেজি ৮৫ টাকা এবং তেল প্রতি লিটার ১৫৩ টাকায় ঠেকেছে।
সবজির বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ব্যবসায়ীরা এখন সব থেকে বেশি দামে বিক্রি করছেন গাজর। মানভেদে এক কেজি গাজর ১০০ থেকে ১৬০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। টমেটোর কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা। সপ্তাহের ব্যবধানে এই সবজি দুটির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।







