ঢাকা, জুলাই ৩১, ২০২৫ নাফসিন মেহনাজ, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, জুলাই গণঅভুত্থানে নারী শিক্ষার্থীদের একত্রিত করার চেষ্টা করেন। তিনি মনে করেন, নারীরা যখন রাস্তায় নামে ইতিহাস পাল্টে যায়। নারী শক্তি রাজনীতিতে যুক্ত হলে রাজনীতির ধারা বদলে যায়। নাফসিন আরও বলেন, তিনি এক ভিন্ন বাংলাদেশ চান, যেখানে কেউ প্রশ্ন করলে গুম হবেন না, গুলি খাবেন না, প্রতিবাদ কিংবা ভিন্ন মত প্রকাশ করলে অপরাধী হবেন না।
শিক্ষার্থী নাজিফা জান্নাত, ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত, এবং জুলাই আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক, নারীরা কেমন বাংলাদেশ চায় এর উত্তরে বলেন: “আমাদের কেবলমাত্র সমস্যা চিহ্নিত করলেই হবে না, আমাদের স্পষ্ট ভিশন দরকার, আমরা কোথায় পৌঁছাতে চায়? আর আমার কাছে সেই ভিশন হলো দক্ষিণ এশিয়ার সবচাইতে সুখী দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে গড়ে তোলা। সামাজিক অবস্থান, ধর্মীয় পরিচয়, পেশা শিক্ষাগত অবস্থান এর কারণে মানুষ প্রতিনিয়ত বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। শিক্ষাক্ষেত্রে এই বৈষম্য সবচেয়ে বেশি পরিলক্ষিত হয়।”
সাইফুল আলম খান, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ, বাংলাদেশ জামায়তে ইসলামী বলেন: “ইসতেহারে” নারীর বিষয়টি থাকবে অগ্রাধিকারে। নারী শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা একটি বড় সংকট। নিরাপদ কর্ম পরিবেশ, পর্যাপ্ত শৌচাগার সুবিধা আজও উপেক্ষিত। ধর্ষনের মতো কঠোর অপরাধেরও শাস্তি বাংলাদেশে এখনও কার্যকর হচ্ছেনা বলে তিনি জানান।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট বিবেচনা করলে দেখা যায় যে, কৃষি, খনি, মৎস্য, পর্যটন শিল্প, চা শিল্প কিংবা আবাসন শিল্পের সঙ্গে সাথে জড়িত নারী শ্রমিকরা নিয়মিত শোষিত হয়। পোশাক কারখানায় এসব নারী শ্রমিকের শোষণের উপর মালিকের মুনাফা, কর্মপরিবেশ বা মজুরি কোনোটাই নারী শ্রমিকের অনুকুলে নয়। বাংলাদেশের নারী শ্রমিকরা ভাগ্য পরিবর্তন করতে বিদেশে যান। কিন্তু সেখানেও তাদের পরতে হচ্ছে নিরাপত্তার মতো ঝুঁকিতে। এই নারী শ্রমিকরা তাদের কার্যানুযায়ী উপযুক্ত পারিশ্রমিক সহ তাদের নিরাপত্তা ও আনুষাঙ্গিক সুযোগ সুবিধা নিয়ে বাংলাদেশে অবস্থান করতে চান।
চন্দ্রি/প্রদা/ডিও






