তিনি গত ১৫ বছরে যারা লুটপাট, চুরি, ব্যাংক ডাকাতি করে শিল্প-কারখানা বন্ধ করে লাখো বেকারত্ব সৃষ্টি করেছে, তাদের শাস্তি দেওয়ার আহ্বান জানান। তবে একই সঙ্গে তিনি প্রতিষ্ঠান বন্ধ না করে সেগুলো চালু রেখে কর্মসংস্থান ধরে রাখার বিষয়টি উল্লেখ করেন।
বিএনপিকে একটি দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দল হিসেবে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমান একটি একদলীয় শাসন থেকে গণতন্ত্রে এবং একটি ক্লোজড ইকোনমি থেকে ওপেন ইকোনমিতে দেশকে নিয়ে আসেন। বিএনপি অতীতে যখনই ক্ষমতায় এসেছে, অর্থনীতিকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে এবং অর্থনীতি সবচেয়ে সচল ছিল।
মির্জা ফখরুল বলেন, গত ১৫ বছরে যারা লুটপাট করেছে, ব্যাংক ডাকাতি করেছে তাদের শাস্তি দেওয়া হোক। কিন্তু তাদের শিল্প-কারখানাগুলো বন্ধ করে ১৪ লাখ মানুষকে বেকার করা হচ্ছে কেন? কারখানাগুলো চালু রেখে মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করার বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা উচিত।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, কৃষকদের ঠিকমতো সার, বীজ ও সাহায্য পৌঁছানো গেলে কৃষি খাতে আরও বেশি অর্জন করা সম্ভব। ১৯৭১ সালে সাড়ে সাত কোটি জনসংখ্যা নিয়ে ২৮ লাখ মেট্রিক টন খাদ্য ঘাটতি থাকলেও বর্তমানে বাংলাদেশ প্রায় খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, শুধু অর্থনৈতিক পথরেখা নয়, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাও প্রয়োজন। বিএনপি শুধু একটি ‘নতুন বাংলাদেশ’ নয়, একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ দেখতে চায়, যেখানে মানুষ ভালো অবস্থায় থাকবে, সুশাসন থাকবে এবং গণতন্ত্রকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে।
প্রদা/ডিও







