এক যুগের বেশি সময় ধরে আলোচনায় থাকা চট্টগ্রাম কর ভবন প্রকল্প এবার বাস্তব রূপ পাচ্ছে। জাম্বুরি পার্কের পূর্ব পাশে ৭৭ কাঠা জমিতে তিনটি বেইজমেন্টসহ ২৩ তলা ভবন নির্মাণে ৪৩৭ কোটি টাকার দরপত্র আহ্বান করা হচ্ছে শিগগিরই।
প্রস্তাবিত ভবনে ১০ জন কর কমিশনারের অধীনে প্রায় এক হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী রাজস্ব আহরণ কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। প্রায় পাঁচ লাখ বর্গফুট আয়তনের এ ভবন সরকারি পর্যায়ে আয়তনে দ্বিতীয় বৃহত্তম স্থাপনা হবে—বর্তমানে প্রথম স্থানে রয়েছে জাতীয় সংসদ ভবন।
বর্তমানে কর দপ্তরের বিভিন্ন শাখা সিডিএ আবাসিক এলাকার ভাড়া ভবনে ছড়িয়ে আছে, যার জন্য বছরে দুই কোটির বেশি টাকা ভাড়া গুনতে হয়। এতে করদাতা ও সেবা গ্রহণকারীদের ভোগান্তিও বাড়ছে। নতুন ভবন চালু হলে সব দপ্তর এক ছাদের নিচে আসবে, সেবা গ্রহণ সহজ হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সূত্র জানায়, ভবনে চট্টগ্রামের চারটি করাঞ্চলের রেঞ্জ ও সার্কেল অফিস, কর আপিল অঞ্চল, ট্রাইব্যুনাল, কর জরিপ দপ্তরসহ ব্যাংক শাখা, ডাকঘর, কর আইনজীবী অফিস, মিডিয়া সেন্টার, মাল্টিপারপাস হল, ডে কেয়ার সেন্টার, এবাদতখানা, ক্যান্টিন ও গাড়ি পার্কিংসহ সব আধুনিক সুযোগ-সুবিধা থাকবে।
সম্প্রতি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য (কর প্রশাসন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) জিএম আবুল কালাম কায়কোবাদ এবং সদস্য (কর নীতি) ব্যারিস্টার মুতাসিম বিল্লাহ ফারুকী প্রকল্পস্থল পরিদর্শন করেন। দ্রুত দরপত্র আহ্বান ও নির্মাণকাজ শুরুর নির্দেশনা দেন তারা।
পরিদর্শনে কর অঞ্চল–১, ২, ৩, ৪, ৫ ও ৬-এর কমিশনাররা উপস্থিত ছিলেন।
প্রদা/ডিও







