রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে কাঁচামরিচের দাম কিছুটা কমেছে। গত সপ্তাহে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ ৪০০ টাকায় বিক্রি হলেও আমদানির খবরের জেরে এই সপ্তাহে কেজিপ্রতি ৮০ থেকে ১২০ টাকা পর্যন্ত কমেছে।
বর্তমানে বাজার ও ক্রেতাভেদে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ ২৮০ থেকে ৩২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আজ শুক্রবার (৭ আগস্ট) রাজধানীর একাধিক কাঁচাবাজার ঘুরে এই চিত্র দেখা গেছে।
বিক্রেতারা জানিয়েছেন, আমদানি শুরু হওয়ার পরই মূলত বাজারে কাঁচামরিচের দাম কমতির দিকে যাচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে সবজি বিক্রেতা মো. সবুজ বলেন, ‘ব্যবসায়ীরা নিজেদের ইচ্ছেমতো দাম বাড়ান-কমান। বৃষ্টি হওয়ার পর হঠাৎ দাম বাড়িয়ে দিছে এখন আমদানি হওয়ায় দাম কমলেও সেই মরিচ স্টোরেই রেখে দেয়।’ এ ছাড়া গত সপ্তাহে বৃষ্টির কারণে অন্যান্য সবজি কিছুটা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
এদিকে কাঁচামরিচের মতো সবজির বাজারও কিছুটা কমতির দিকে রয়েছে। লম্বা বেগুন গত সপ্তাহে ১২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হলেও এই সপ্তাহে মানভেদে বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকায়। তবে গোল বেগুনের দাম এখনো কেজিপ্রতি প্রায় ১৫০ টাকা।
শসার দামও কিছুটা কমে মানভেদে ৬০ থেকে ৮০ টাকায় নেমেছে। ধুন্দল, লাউ, পটল, ঝিঙা ও চিচিঙা বাজারভেদে ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া কচুর লতি ৮০ থেকে ১০০ টাকা, কচুরমুখি ৭০ থেকে ৮০ টাকা এবং করলা ৯০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
বেসরকারি চাকরিজীবী সাত্তার হোসেন বলেন, ‘সাধারণ মানুষ শাক সবজি কিনেই খেতে পারছি না। দুই-তিনটা সবজি কিনতেই ৩০০-৪০০ টাকা চলে যাচ্ছে। এরপর মাছ-মাংস দামও বাড়তি। বাজারে এসে এখন স্বস্তি পাই না।’
এদিকে মাংসের বাজারে মুরগির দাম কমেনি। ব্রয়লার মুরগির কেজি ২০০ টাকা এবং সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ টাকা দরে। আর গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি।
সাদা ডিম ১৪০ টাকা ডজন এবং লাল ডিম আকারভেদে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা ডজন বিক্রি হচ্ছে।
মাছের বাজারেও দাম ঊর্ধ্বমুখী। তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা কেজি, পাঙাস ২৫০ টাকা কেজি, চিংড়ি আকারভেদে ১,০০০ ও ১,৩০০ টাকা কেজি, বোয়াল ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকা কেজি এবং রুই-কাতল ৩৮০ থেকে ৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
দাম বেড়েছে ইলিশেরও। ৯০০ গ্রাম থেকে ১ কেজি ওজনের ইলিশ ২,৫০০ টাকা কেজি এবং ১ কেজি ৩০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ৩,২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।







