একীভূত হওয়া পাঁচ ব্যাংকের মধ্যে এখন পর্যন্ত দুটি ব্যাংকের সার্বিক কার্যক্রম সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর হয়েছে। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে এবার সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক (এসআইবিপিএলসি) থেকে প্রশাসক প্রত্যাহার করে নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
এর আগে এক্সিম ব্যাংক থেকেও প্রশাসক সরিয়ে নেওয়া হয়। এর মধ্য দিয়ে দুটি ব্যাংকের সার্বিক কার্যক্রম ও নিয়ন্ত্রণ আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের নতুন পর্ষদ ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলো।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক থেকেও প্রশাসক সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে এবং খুব দ্রুত বাকি ব্যাংকগুলো থেকেও পর্যায়ক্রমে প্রশাসক প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মো. আবুল বাশার গত মে মাস থেকে এসআইবিপিএলসির প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। এর আগে ৩০ জুলাই এক্সিম ব্যাংক থেকে প্রশাসক শওকাতুল আলম এবং তার প্রতিনিধিদের প্রত্যাহার করে নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক।
একীভূত হওয়া অন্য তিনটি ব্যাংক হলো ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী, গ্লোবাল ইসলামী ও ইউনিয়ন ব্যাংক। আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দিতে ব্যর্থ হওয়ায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এ পাঁচটি শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক একত্রিত করে ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’ গঠন করে।
একীভূত ব্যাংকটি ৩৫ হাজার কোটি টাকার পরিশোধিত মূলধন নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে। এর মধ্যে সরকার দিয়েছে ২০ হাজার কোটি টাকা এবং বাকি ১৫ হাজার কোটি টাকা আমানতকারীদের জমানো টাকার বিপরীতে শেয়ারে রূপান্তর করা হবে।