এ সময় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম. ইকবাল হোসাইন, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাইদুর রহমান খান উপস্থিত ছিলেন।
নগদ সহায়তা দেওয়া হবে কি না-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আপাতত কৃষকদের বীজ ও সার সরবরাহের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। প্রয়োজন অনুযায়ী পরবর্তী সহায়তা প্যাকেজের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
গবাদিপশুর খাদ্য সংকটের বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে কৃষিমন্ত্রী বলেন, বন্যার কারণে খড়, ঘাস ও পশুখাদ্যের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এ অবস্থায় দুর্গত এলাকায় গরু ও ছাগলের জন্য শুকনা খাদ্য সরবরাহ করা হবে।
তিনি আরও জানান, বর্ষা ও বন্যার সময় গবাদিপশুর বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। বিশেষ করে খুরা রোগ প্রতিরোধে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার সব গবাদিপশুকে দ্রুত টিকা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মৎস্য খাতের ক্ষয়ক্ষতির প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, আকস্মিক বন্যায় অনেক পুকুরের বাঁধ ভেঙে মাছ ভেসে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্যচাষিদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং তাদের সহায়তায় সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।
কৃষিতে মোট ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখনো পূর্ণাঙ্গ হিসাব পাওয়া যায়নি। মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ চলছে। কৃষি, স্থানীয় সরকারসহ বিভিন্ন খাতে ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত চিত্র প্রস্তুত করতে আরও কয়েক দিন সময় লাগবে।







