এক মার্কিন কর্মকর্তা জানান, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কারিগরি পর্যায়ের আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।
তুরস্কের আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তান ও কাতারের কর্মকর্তারা ওয়াশিংটন ও তেহরানের সঙ্গে নতুন করে যোগাযোগ শুরু করেছেন।
পাকিস্তানি সূত্রগুলোর মতে, সাম্প্রতিক সামরিক উত্তেজনা অপ্রত্যাশিত হলেও উভয় পক্ষই বুঝতে পারছে, পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ কারও স্বার্থে নয়। তাদের আশা, কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে সংকট কাটিয়ে ওঠা সম্ভব।
সর্বশেষ সংঘাত শুরুর আগে কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদের মধ্যে কারিগরি পর্যায়ের বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই পরিকল্পনা আপাতত স্থগিত রয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পাকিস্তানেই পরবর্তী দফার আলোচনা আয়োজনের আশা করা হচ্ছে।
সাম্প্রতিক সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের প্রায় ৯০টি সামরিক স্থাপনায় হামলা চালায়। ওয়াশিংটনের দাবি, হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইরানের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করাই ছিল এই অভিযানের উদ্দেশ্য।
জবাবে ইরান কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রকে আরও সামরিক পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকার সতর্কবার্তাও দেয় তেহরান।
ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ৪৮ ঘণ্টায় মার্কিন হামলায় দেশটির পাঁচটি প্রদেশে অন্তত ১৪ জন নিহত এবং ৭৮ জন আহত হয়েছেন।
এদিকে সর্বশেষ উত্তেজনার পর ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন সালমানের সঙ্গে টেলিফোনে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছেন।
অন্যদিকে কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান আল-থানি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান-উভয় পক্ষকেই আবার কূটনৈতিক আলোচনায় ফেরার আহ্বান জানিয়েছেন। তার মতে, বিদ্যমান সমঝোতা বাস্তবায়ন করা গেলে এখনো দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই সমাধানের পথ তৈরি হতে পারে।







