অতি ভারি বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পণ্য ওঠানামা ব্যাহত হচ্ছে।
আগের দিনের মত বুধবারও চট্টগ্রামে ভারি বর্ষণ অব্যাহত আছে। এরআগে মঙ্গলবার ৪২ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয় বন্দর নগরীতে।
মঙ্গলবার থেকেই চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে লাইটার জাহাজে (ছোট আকারের পণ্যবাহী জাহাজ) পণ্য ওঠানামা ব্যাহত হচ্ছিল। বুধবারও আবহাওয়ার পরিস্থিতি অপরিবর্তিত থাকায় স্বাভাবিকভাবে পণ্য ওঠানামা করা যাচ্ছে না।
তবে বন্দরের জেটিগুলোতে বড় জাহাজের কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।
চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “বহির্নোঙরে জাহাজে থেকে লাইটার জাহাজে পণ্য ওঠানামা করার কাজ কিছুটা বিঘ্নিত হচ্ছে। কারণ কিছু পণ্য আছে যা বৃষ্টির পানি নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে। সেসব পণ্য বৃষ্টিতে ওঠানামা করানো হয় না। বন্দরের মূল জেটিতে কার্যক্রম স্বাভাবিক আছে।”
ভারি বৃষ্টি ও বাতাসের কারণে বন্দরের জেটিতে কনটেইনার ওঠানামানোর কাজে গতি কমেছে কিনা জানতে চাইলে সৈয়দ রেফায়েত হামিম বলেন, “মেজর কোন প্রভাব পড়েনি। পণ্য আমদানি-রপ্তানিকারকরা এখনো পর্যন্ত আমাদের কোনো অভিযোগ করেননি।”
এদিকে বুধবার বেলা ২টা থেকে অনুষ্ঠেয় চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের পরিবহন কর্মকর্তা পদের লিখিত পরীক্ষা প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে স্থগিত করা হয়েছে।
বন্দরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পরীক্ষার পরিবর্তিত তারিখ ও সময় যথাসময়ে প্রার্থীদের মোবাইল ফোন এ এসএমএসের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে।
পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বুধবার সকাল ৯টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ২৩৭ দশমিক ৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
এর আগে বুধবার বেলা ৩টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় আবহাওয়া অফিসের পতেঙ্গা কেন্দ্রে ৪১২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়, যা ছিল ৪২ বছরের মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত।







