স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে দ্রুত নির্বাচনী আচরণ বিধিমালা ও নির্বাচন বিধিমালা চূড়ান্ত করতে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়কে নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন।
মঙ্গলবার (০৭ জুলাই) একজন নির্বাচন কমিশনার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, সিইসি আমাদের দ্রুত বিধিমালা চূড়ান্ত করার নির্দেশনা দিয়েছেন।স্থানীয় সরকার নির্বাচন আগামী অক্টোবের ইউনিয়ন পরিষদ বা পৌরসভা দিয়ে শুরু করা যৌক্তিক হবে উল্লেখ করে জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, ভোটের ৪৫ দিন আগে তফসিল ঘোষণা করতে হবে।
সে হিসেবে আমাদের প্রস্তুতি রাখতে হচ্ছে।ইসি কর্মকর্তারা বলছেন, তফসিল ঘোষণার আগে অবশ্যই নির্বাচনী আচরণবিধি এবং নির্বাচন বিধিমালা চূড়ান্ত করতে হবে।
এক্ষেত্রে রোডম্যাপে ১৫ আগস্টের মধ্যে বিধিমালা চূড়ান্ত করার কথা বলা হলেও এখনো কাজ অর্ধেক এগোয়নি।নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, নির্বাচনী আচরণ বিধিমালার খসড়া আমরা ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে মতামত চেয়েছি।
এ ছাড়া দলগুলোকে মতামত দেওয়ার জন্য চিঠি দিয়েছি। কয়েকটি দল মতামত জানিয়েছে। আমরা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে চূড়ান্ত করে ফেলবো। এ ছাড়া নির্বাচন বিধিমালা নিয়েও কাজ হচ্ছে। এটাও জুলাইয়ের মধ্যেই চূড়ান্ত করা হতে পারে।ইসির পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী অক্টোবর থেকে ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর নির্বাচন সম্পন্ন করা হবে। জানা গেছে, দেশে মোট ৪ হাজার ৫৮০টি ইউনিয়ন পরিষদ আছে। এর মধ্যে চলতি বছরে নির্বাচন উপযোগী হবে ৩ হাজার ৯৮১টি ইউপি। বাকিগুলো ২০২৭ ও ২০২৮ সালে ভোট উপযোগী হবে।
এ ছাড়া দেশের ৩৩০টি পৌরসভার মধ্যে ৩২০টি নির্বাচন উপযোগী হয়েছে। আইনি জটিলতায় ১০টি পৌরসভা নির্বাচন উপযোগী নয়।
এদিকে নতুন ৫টিসহ দেশে মোট উপজেলা ৫০০টি। সবগুলোই নির্বাচন উপযোগী। নতুন করে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা ভাগ করে মোকামতলা, কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলা ভাগ করে মাতামুহুরী, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা ভাগ করে রুহিয়া ও ভুল্লী এবং লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা ভাগ করে চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা গঠন করা হয়েছে।
অন্যদিকে নতুন করে সৃষ্টি হওয়া বগুড়া সিটি করপোরেশনসহ দেশের মোট ১৩টি সিটি রয়েছে। বর্তমানে সবগুলোই নির্বাচন উপযোগী। ইউপি বাদে অধিকাংশ স্থানীয় সরকার চলছে প্রশাসক দিয়ে।