হরিণা মাছঘাটের ব্যবসায়ী জসিম সৈয়াল বলেন, গত কয়েকদিন ধরে নদীতে ভালো ইলিশ ধরা পড়ছে। বেশিরভাগ ইলিশের ওজন ৮০০ থেকে ৯০০ গ্রাম। এসব ইলিশের পাইকারি দাম প্রতি কেজি ২ হাজার ৩০০ থেকে ২ হাজার ৪০০ টাকা। এক কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৭০০ থেকে ২ হাজার ৮০০ টাকায়। আর এক কেজির বেশি ওজনের ইলিশের দাম প্রতি কেজি ৩ হাজার থেকে ৩ হাজার ২০০ টাকা। ছোট আকারের ইলিশ, যা প্রতি কেজিতে পাঁচ থেকে ছয়টি হয়, সেগুলোর দাম ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা।
পাশের আড়তের ব্যবসায়ী মো. ইব্রাহীম জানান, ইলিশের পাশাপাশি নদীতে প্রচুর পাঙ্গাশও ধরা পড়ছে। বড় আকারের পাঙ্গাশ প্রতি কেজি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ছোট আকারের পাঙ্গাশের দাম প্রতি কেজি ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা। আর আইড় মাছ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৮০০ থেকে ৯০০ টাকায়।
ইলিশের পাইকারি বিক্রেতা জাহাঙ্গীর গাজী বলেন, নদীতে পানি বাড়ায় আগের তুলনায় মাছ বেশি ধরা পড়ছে। তবে ইলিশের ক্রেতা খুবই কম। আগে ঘাটে মাছ আসার সঙ্গে সঙ্গেই বিক্রি হয়ে যেত। এখন অনেককে বরফ দিয়ে মাছ সংরক্ষণ করতে হচ্ছে। পরে খুচরা বিক্রেতারা সেগুলো শহরের বাজারে নিয়ে বিক্রি করছেন।
ঘাটের প্রবীণ মৎস্য ব্যবসায়ী সিরাজুল ইসলাম সৈয়াল বলেন, গত বছর এ সময়ে ৮০০ থেকে ৯০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ প্রতি কেজি ৩ হাজার থেকে ৩ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। বর্তমানে সেই দাম ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা কমেছে। ছোট আকারের ইলিশের সংখ্যাও কমেছে। তবে ইলিশের জালে এখন ছোট-বড় আকারের পাঙ্গাশও ধরা পড়ছে।
চাঁদপুর সদর উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মির্জা ওমর ফারুক বলেন, নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলেরা বেশি মাছ পাচ্ছেন। বর্ষা মৌসুম যত এগোবে, নদীতে মাছের বিচরণও তত বাড়বে। তিনি বলেন, এবার জাটকা সংরক্ষণ অভিযান সফল হওয়ায় নদীতে ইলিশের পাশাপাশি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ পাঙাসও পাওয়া যাচ্ছে।







