মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুদকের উপ পরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আকতারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দুবাইয়ে গ্রেপ্তার সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনতে দুর্নীতির সব নথিপত্র গোছাচ্ছে দুদক।
প্রতিটি ফ্লোরের সম্ভাব্য ভাড়া ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা ধরা হলেও, এখনও তা ভাড়া দিতে পারেনি দুদক। একইভাবে আদাবরে ছয়টি, দুটি বাড্ডায় ফ্ল্যাটও রিসিভার নিয়োগ করতে পারেনি। তবে গোপালগঞ্জের সাভানা রিসোর্টটি স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে, যেখান থেকে নিয়মিত রাজস্ব জমা হচ্ছে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে।
দুদকের তথ্যমতে, ৭৪ কোটি টাকারও বেশি অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ৪টি মামলাসহ পাসপোর্ট জালিয়াতি ও মানিলন্ডারিং মিলিয়ে বেনজীরের বিরুদ্ধে মোট ৬টি মামলা রয়েছে। ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, গোপালগঞ্জ ও মাদারীপুর, বান্দরবানসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রায় ৩৪৫ বিঘা জমিসহ অঢেল সম্পদের খোঁজ পায় দুদক। এমনকি দেশের গণ্ডি পেরিয়ে দুবাইতে থাকা তার ফ্ল্যাটও জব্দ করে সংস্থাটি।
এদিকে আইনজীবীরা বলছেন, পলাতক আসামিকে দেশে ফিরিয়ে আনতে দুদকসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে সঠিক নথিপত্র সরবরাহ ও কূটনৈতিক তৎপরতা আরও জোরদার করতে হবে। একই সঙ্গে দুবাইতে জব্দকৃত সম্পদ দেশে ফিরিয়ে আনতেও কূটনৈতিক চ্যানেলে আলোচনা অব্যাহত রাখার তাগিদ সংশ্লিষ্টদের।







