নিম্নআয়ের মানুষের আর্থিক সক্ষমতার কথা বিবেচনায় নিয়ে সদ্য ঘোষিত বিদ্যুতের লাইফলাইন ট্যারিফ পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ। এ বিষয়ে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিদ্যুৎ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিইআরসি ঘোষিত সংশোধিত খুচরা বিদ্যুৎ ট্যারিফে প্রান্তিক বা লাইফলাইন গ্রাহকদের জন্য বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) প্রস্তাবের প্রতিফলন ঘটেনি।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নতুন ট্যারিফ কাঠামোর ফলে লাইফলাইন গ্রাহকদের বিদ্যুৎ ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। এতে নিম্নআয় ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের জীবনযাত্রার ব্যয়ের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
বিদ্যুৎ বিভাগ জানায়, সরকার নিম্নআয় ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত মানুষের জীবনমান উন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করছে। তবে সংশোধিত লাইফলাইন ট্যারিফ সেই নীতিগত লক্ষ্যগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
এ কারণে ৩ মে বিপিডিবি জমা দেওয়া প্রস্তাবের আলোকে লাইফলাইন ট্যারিফ পুনর্বিবেচনা ও সংশোধনের জন্য বিইআরসিকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘প্রান্তিক গ্রাহকদের সম্ভাব্য দুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বিদ্যুৎ বিভাগ বিইআরসিকে সংশোধিত ট্যারিফ পর্যালোচনা করে বিপিডিবির প্রস্তাবের ভিত্তিতে লাইফলাইন মূল্যহার পুনর্নির্ধারণের অনুরোধ জানিয়েছে।’
বিদ্যুৎ বিভাগ আশা প্রকাশ করেছে, বিইআরসি এ বিষয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
গত রোববার বিইআরসি খুচরা বিদ্যুতের ট্যারিফ গড়ে ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ বাড়ায়, ফলে প্রতি ইউনিটে দাম বেড়েছে ১ টাকা ৫২ পয়সা। একই সঙ্গে পাইকারি ও সঞ্চালন পর্যায়ের ট্যারিফও সংশোধন করা হয়।
নতুন কাঠামো অনুযায়ী, মাসে ০ থেকে ৫০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী আবাসিক লাইফলাইন গ্রাহকদের ট্যারিফ ১৪ দশমিক ৯ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। ফলে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ৪ টাকা ৬৩ পয়সা থেকে বেড়ে ৫ টাকা ৩২ পয়সা হয়েছে।







