শেষ মুহূর্তের বেচাকেনা চট্টগ্রামের পশুর হাটগুলোতে প্রতিবন্ধকতা হয়ে এসেছে বৃষ্টি। সকালের কয়েক ঘণ্টার বৃষ্টি আর বিক্রেতাদের চড়া দামের হাঁকডাকে পশুর হাটগুলোতে বেচাবিক্রিতে ভাটা পড়েছে।
বৃষ্টির কারণে বাজারে ক্রেতা কম থাকলেও বিক্রেতারা দাম ছাড়ছেন না বলে অভিযোগ সাধারণ ক্রেতাদের। বিশেষ করে মধ্যবিত্তের বাজেটের মধ্যে থাকা ছোট ও মাঝারি আকারের গরুর দাম এবার অনেকটাই বেশি চাওয়া হচ্ছে।
সাগরিকা, বিবিরহাটসহ বিভিন্ন স্থায়ী ও অস্থায়ী পশুর হাটে দেখা যায়, সকাল থেকেই আকাশ মেঘলা এবং দফায় দফায় বৃষ্টির কারণে হাটের মাঠে কাদা জমে গেছে। ফলে অন্য বছরের এ সময়ের তুলনায় ক্রেতাদের সমাগম ছিলো বেশ সীমিত।
এরমধ্যে যারা আসছেন তারা বাজেট এবং পছন্দ হলে পশু কিনে নিচ্ছেন।
হাটে আসা ক্রেতারা বলছেন, পশুর সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকা সত্ত্বেও বিক্রেতারা অতিরিক্ত দাম হাঁকাচ্ছেন। এ বছর চট্টগ্রামে কোরবানির পশুর মোট চাহিদা ধরা হয়েছে ৮ লাখ ১৮ হাজার।
চাহিদার এ বিশাল বাজারে প্রতিবছরের মতো এবারও চট্টগ্রামের ক্রেতাদের প্রধান আকর্ষণ অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী জাত লাল বিরিষ।







