বৃহস্পতিবার (৭ মে) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে প্রস্তাবটি উপস্থান করার কথা ছিল।
সে অনুযায়ী সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকের আলোচ্যসূচিতেও ছিলো প্রস্তাবটি।
এদিকে বৈঠকে সরকারি ক্রয় প্রক্রিয়ায় নতুন সরবরাহকারী ও প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানকে অংশগ্রহণের সুযোগ বাড়াতে ফ্যাক্টরি পরিদর্শন সংক্রান্ত নতুন শর্ত অন্তর্ভুক্তির একটি প্রস্তাব নিয়ে আসে বিদ্যুৎ বিভাগ।
সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি প্রস্তাবটি আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর সভাপতিত্বে গঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটির প্রতিবেদনের পর পুনরায় উপস্থাপনের সিদ্ধান্ত দিয়েছে।
জানা গেছে, বিদ্যুৎ বিভাগের প্রস্তাবের ভিত্তিতে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি) এ সংক্রান্ত প্রস্তাব উপস্থাপন করে। প্রস্তাবে সরকারি ক্রয় প্রক্রিয়ায় বিদ্যমান ক্রয় বিধিমালার সংশ্লিষ্ট অনুচ্ছেদ এবং আদর্শ টেন্ডার ডকুমেন্টে নতুন সরবরাহকারী বা প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের জন্য ফ্যাক্টরি ইন্সপেকশন সংক্রান্ত ধারা অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলা হয়।
প্রস্তাবনায় বলা হয়, বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের নির্বাহী কমিটির সভায় দরপত্র আহ্বানের ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি এবং দেশীয় শিল্পায়ন কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে স্থানীয় মুদ্রায় স্থানীয় দরপত্রে নতুন প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানকে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়ার সুপারিশ করা হয়। এ ক্ষেত্রে ফ্যাক্টরি ইন্সপেকশনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের আর্থিক ও কারিগরি সক্ষমতা যাচাই-বাছাই করে যোগ্য প্রতিষ্ঠান নির্ধারণের সুপারিশ করা হয়।
তবে বাংলাদেশ সরকারি ক্রয় কর্তৃপক্ষ (বিপিপিএ) মতামতে জানায়, নতুন প্রস্তুতকারকদের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট অভিজ্ঞতার শর্ত শিথিল করা বিধিসম্মত হবে না।
এরপরও সিন্ডিকেশন রোধ, প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি, সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য সংগ্রহ, দেশীয় শিল্পের বিকাশ এবং জরুরি বৈদ্যুতিক মালামাল দ্রুত সরবরাহ নিশ্চিত করতে নতুন দেশীয় প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানকে অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরির লক্ষ্যে ফ্যাক্টরি পরিদর্শন সংক্রান্ত ধারা অন্তর্ভুক্তির প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করে বিদ্যুৎ বিভাগ।







