ইপেপার
দৈনিক অর্থনীতি
Advertisement
  • প্রচ্ছদ
  • বাংলাদেশ অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক অর্থনীতি
  • অর্থনীতি সমাচার
  • মহানগর
  • অপরাধ
  • উপজেলা
  • শেয়ার বাজর
  • অর্থ কথা
  • মুদ্রা বাজার
  • বন্দর ও শিল্পনীতি
  • হাটবাজার অর্থনীতি
  • কর্পোরেট আইকন
  • আমদানি রপ্তানি
  • ফিউচার অর্থনীতি
  • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প নীতি
  • দুর্নীতি
    • সারাদেশে দুর্নীতি
  • বাণিজ্য
  • ব্যংকিং অর্থনীতি
  • বিবিধ
    • জেলা উপজেলার অর্থনীতি
    • চাকরি
    • দেশ বিদেশ অর্থনীতি
    • শীর্ষ অর্থনীতি
    • শ্রমিক অর্থনীতি
    • জাতীয় অর্থনীতি
    • স্বাস্থ্য খাত
    • শিক্ষাখাত
    • খেলাধুলা
    • টেলিকম ও প্রযুক্তি
    • সারাদেশ
  • ভিডিও
  • প্রচ্ছদ
  • বাংলাদেশ অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক অর্থনীতি
  • অর্থনীতি সমাচার
  • মহানগর
  • অপরাধ
  • উপজেলা
  • শেয়ার বাজর
  • অর্থ কথা
  • মুদ্রা বাজার
  • বন্দর ও শিল্পনীতি
  • হাটবাজার অর্থনীতি
  • কর্পোরেট আইকন
  • আমদানি রপ্তানি
  • ফিউচার অর্থনীতি
  • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প নীতি
  • দুর্নীতি
    • সারাদেশে দুর্নীতি
  • বাণিজ্য
  • ব্যংকিং অর্থনীতি
  • বিবিধ
    • জেলা উপজেলার অর্থনীতি
    • চাকরি
    • দেশ বিদেশ অর্থনীতি
    • শীর্ষ অর্থনীতি
    • শ্রমিক অর্থনীতি
    • জাতীয় অর্থনীতি
    • স্বাস্থ্য খাত
    • শিক্ষাখাত
    • খেলাধুলা
    • টেলিকম ও প্রযুক্তি
    • সারাদেশ
  • ভিডিও
No Result
View All Result
দৈনিক অর্থনীতি
No Result
View All Result
Home Uncategorized

সিএমপিতে ১৬ থানায় একই ওসি সিন্ডিকেট! বদলির নামে ঘুরপাক!

April 6, 2026
0 0
0
সিএমপিতে ১৬ থানায় একই ওসি সিন্ডিকেট! বদলির নামে ঘুরপাক!

চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) ১৬ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পদে বারবার রদবদল হলেও দায়িত্ব পাচ্ছেন ঘুরে ফিরে একই কর্মকর্তারা—এমন অভিযোগে তোলপাড় প্রশাসন ও জনমত। বিতর্ক, অভিযোগ ও বিভাগীয় তদন্তের ভার নিয়েই অনেক ওসি আবারও গুরুত্বপূর্ণ থানার দায়িত্বে বসছেন।

অন্যদিকে দক্ষ ও সিনিয়র পরিদর্শকদের বড় অংশ পড়ে আছেন গোয়েন্দা শাখা, সিটিএসবি, পিবিআই ও কাউন্টার টেররিজম ইউনিটে—যা প্রশ্ন তুলেছে পুরো বদলি প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে।

বদলির আড়ালে কী খেলা?

২০২৫ সালের ৭ ডিসেম্বর সদ্য বিদায়ী সিএমপি কমিশনার হাসিব আজিজ স্বাক্ষরিত আদেশে নগরের ১৬ থানার ওসি পদে রদবদল আনা হয়। এতে পুলিশ পরিদর্শক পদমর্যাদার কোতোয়ালি থানার ওসি মো. আব্দুল করিমকে পাঁচলাইশে এবং কোতোয়ালির নতুন হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয় বাকলিয়া থানার ওসি মো. আফতাব উদ্দিনকে।

এ ছাড়া পাঁচলাইশের ওসি মোহাম্মদ সোলাইমানকে বাকলিয়া থানায়, সদরঘাট থানার ওসি মো. আব্দুর রহিমকে বন্দর থানায়, বায়েজিদ থানার ওসি জসিম উদ্দিনকে চান্দগাঁও থানায়, চান্দগাঁও থানার ওসি মো. জাহেদুল কবিরকে বায়েজিদ বোস্তামী থানায়, খুলশী থানার ওসি শাহীনুর আলমকে কর্ণফুলী থানায়, ডবলমুরিং থানার ওসি মো. বাবুল আজাদকে চকবাজার থানায়, হালিশহর থানার ওসি মুহাম্মদ নুরুল আবছারকে পাহাড়তলী থানায়, কর্ণফুলী থানার ওসি মো. জাহেদুল ইসলাম খুলশী থানায়।

আবার বন্দর থানার ওসি মোস্তফা আহম্মেদকে পতেঙ্গা থানায়, পতেঙ্গার ওসি কাজী মুহাম্মদ সুলতান আহসান উদ্দীনকে হালিশহর থানায়, ইপিজেড থানার ওসি কামরুজ্জামানকে আকবরশাহ থানায় এবং চকবাজার থানার ওসি শফিকুল ইসলামকে পুলিশের বিশেষ শাখা সিটিএসবিতে বদলি করা হয়।

এ সব বিষয়ে জানতে চাইলে নগর পুলিশের মুখপাত্র সহকারি পুলিশ কমিশনার আমিনুর রশীদ তখন বলেছিলেন বলেন, ‘লটারির মাধ্যমে থানাগুলোর ওসি পদে রদবদল আনা হয়েছে।’ অথচ এ লটারির কোন অস্তিত্ব ছিলো না। পর্দার আড়ালে ছিলো তদবির।

জানা গেছে, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর সিএমপির ১৬টি থানার ওসি পদে পরিবর্তন আনা হয়। সিএমপি ওসি রদবদল প্রক্রিয়ায় সর্বশেষ আদেশে দেখা যায়, রদবদল হওয়া ওসিদের অনেকে গত দেড় বছরে সিএমপির ৩-৪-৫ থানায় দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁদের মধ্যে পরিদর্শক বাবুল আজাদ, আব্দুল করিম, আরিফুর রহমান, আফতাব উদ্দিনসহ আরও কয়েকজন রয়েছেন।

অভ্যুত্থানের আগে সিএমপি চারটি জোনের (উত্তর, দক্ষিণ, বন্দর ও পশ্চিম) ১৬টি থানার ওসি হিসেবে যাঁরা দায়িত্বে ছিলেন, তাঁদের সবাইকে সরানো হয় অভ্যুত্থানের পর। গত বছরের ৯ সেপ্টেম্বর পুলিশ সদর দপ্তর থেকে জারি করা আদেশে সিএমপির ১৩ থানার ওসি বদলি করা হয় এবং ১০ সেপ্টেম্বর আরেক আদেশে নগর পুলিশের ১৩ উপকমিশনার (ডিসি) এবং দুই ওসি পদে রদবদল করা হয়। ওই মাসেই আরও তিন থানার ওসি পদে রদবদল করা হয়।

আগস্টে অভ্যুত্থানের পর গত ১৬ মাসে সিএমপির ১৬টি থানার মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত-সমালোচিত পরিদর্শক ছিলেন বাবুল আজাদ। অভ্যুত্থানের আগে সিএমপির গোয়েন্দা বিভাগে (ডিবি) ছিলেন তিনি। অভ্যুত্থানের পর তিনি নগরের পাহাড়তলী থানায় ওসি হিসেবে পদায়ন পান। কয়েক মাসের মাথায় তিনি সিএমপির ডবলমুরিং থানার ওসি হন এবং সর্বশেষ গতকাল বাবুল আজাদকে নগরের চকবাজার থানার দায়িত্ব দেওয়া হয়।

গত অক্টোবরে একটি প্রতিষ্ঠানে চুরির ঘটনায় মামলা না নিয়ে উল্টো মামলা করতে যাওয়া ব্যক্তিকে আটকে রেখে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তর এই অভিযোগ তদন্ত করছে। এ ছাড়া কিছুদিন আগে আক্কাস জুয়েল নামে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের এক কর্মীকে গ্রেপ্তারের পর মারধর ও নির্যাতনের অভিযোগও রয়েছে। নগরের কয়েকজন ছাড়া অন্য ওসিদের বিরুদ্ধেও রয়েছে নানা অভিযোগ আর মাদককাণ্ড।

চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের কমিশনার হাসিব আজিজ নিজের বদলির আদেশ পাওয়ার পর তিন থানার ওসিসহ সাত পরিদর্শকের পদে রদবদলের আদেশ দিয়েছেন। গত বুধবার ওই আদেশে পাঁচলাইশ থানার ওসি আবদুল করিমকে বায়েজিদ বোস্তামী থানায় বদলি করে সে থানার ওসি মো. জাহেদুল কবিরকে নগর বিশেষ শাখা সিটিএসবিতে পাঠানো হয়েছে।

খুলশী থানার ওসি মো. জাহেদুল ইসলামকে পাঁচলাইশ থানায় ও সিএমপির লাইনওয়ারে সংযুক্ত থাকা মো. আরিফুর রহমানকে খুলশী থানার ওসির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া লাইনওয়ারে সংযুক্ত থাকা মোহাম্মদ আমির হোসেন জিয়াকে গোয়েন্দা পুলিশের উত্তর বিভাগে, জসিম উদ্দিনকে দক্ষিণ বিভাগে এবং শহর ও যানবাহন পরিদর্শক সাইফুর রহমানকে টিআই সিটি গেইটে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

নির্বাচনের আগে ৬ ডিসেম্বর সিএমপির সব থানার ওসি পদে রদবদল করা হয়। তখন আরিফুর রহমানকে আকবরশাহ থানা থেকে সদরঘাট থানায়, জসিম উদ্দিনকে বায়েজিদ বোস্তামী থানা থেকে চান্দগাঁও থানায় এবং জামির হোসেন জিয়াকে পাহাড়তলী থানা থেকে ডবলমুরিং থানায় বদলি করা হয়েছিল।

৩১ ডিসেম্বর পুলিশ সদর দপ্তরের আদেশে আরিফুর, জসীম উদ্দিন ও জামির হোসেনকে থানা থেকে সরিয়ে লাইনওয়ারে সংযুক্ত করা হয়েছিল। সিএমপি কমিশনার হাসিব আজিজকে গত ১৬ মার্চ সিএমপি থেকে সরিয়ে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন-এপিবিএন এর প্রধান হিসেবে বদলি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

কর্মস্থল ত্যাগের আগে তিনি ওসি পদে রদবদলের আদেশ দেওয়ায় কর্মকর্তাদের মধ্যে নানা ধরনের আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

যদিও গত ২০ মাসে একাধিকবার বদলির ঘটনায় পুলিশ প্রশাসনের ভেতরে-বাইরে নানা প্রশ্ন উঠেছে। এ সময়ের অন্তত ১০টি বদলির আদেশ বিশ্লেষণে দেখা যায়, একই ধরনের কর্মকর্তা ঘুরেফিরে গুরুত্বপূর্ণ ও ‘আকর্ষণীয়’ থানাগুলোতেই দায়িত্ব পাচ্ছেন, যা এই বদলির পেছনে কি খেলা সেটা অনেকের জানা। কি তদবির কি বাণিজ্য পর্দার আড়ালে চলে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সিনিয়র এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, “থানায় দায়িত্ব নিয়ে স্থানীয় অপরাধচক্র, সামাজিক বাস্তবতা ও গোয়েন্দা তথ্য বুঝে উঠতেই একজন কর্মকর্তার অনেকটা সময় লাগে। সেখানে কয়েক মাস পরপর বদলি হলে কার্যকর পুলিশিং সম্ভব হয় না। এতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির বদলে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়।

তিনি আরো বলেন, যেসব থানাকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, সেগুলোতে একই কর্মকর্তাদের বারবার ঘুরেফিরে পদায়ন করা হলে স্বচ্ছতা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে। বদলি যদি নির্দিষ্ট নীতিমালা ও জবাবদিহির আওতায় না হয়, তাহলে জনগণের মধ্যে পুলিশের প্রতি আস্থার ঘাটতি তৈরি হতে পারে। তাই ওসি পদায়ন ও বদলির ক্ষেত্রে একটি স্পষ্ট, লিখিত নীতিমালা অনুসরণ এবং তা প্রকাশের দাবি জানান তিনি।

বারবার একই ওসিদের বিভিন্ন থানায় বদলির বিষয়টি বিশ্লেষণে তথ্য মিলে সিএমপির ১৬ থানায় ঘুরে ফিরে এরাই ওসি, এদের বাহিরে কেউ সহজে সিএমপির টপ সিটে বসতে পারছে না। যেমন-বাকলিয়া থানার বর্তমান ওসি মোহাম্মদ সোলাইমান ৫ আগস্টের পরে পাঁচলাইশ থানায় ওসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তারপর বর্তমানে  বাকলিয়া। এর আগে তদন্ত হিসেবে পটিয়া ও সীতাকুণ্ড ছিলেন। ছিলেন সিএমপি কর্ণফুলী থানায় এসআই হিসেবেও।

ওদিকে, বন্দর থানার বর্তমান ওসি মো. আব্দুর রহিম এর আগেও সদরঘাট থানার ওসি হিসেবে একই কমিশনার থাকাকালে ওসির দায়িত্ব পালন করেন।

আকবর শাহ থানার বর্তমান ওসি মো. কামরুজ্জামান এর আগে বায়েজিদ বোস্তামি থানার ওসি ছিলেন। খুলশী থানার বর্তমান ওসি মো. আরিফুর রহমান এর আগে বায়েজিদ বোস্তামী খানার ওসি ছিলেন, ছিলেন এরপরে আকবর শাহ, এরপর সদরঘাট থানা তারপর সিটিএসবি হয়ে আবারও খুলশী।

এছাড়াও কোতোয়ালী থানার ওসি মোহাম্মদ আফতাব উদ্দিন সিএমপিতে এসেই চান্দগাও থানা, তারপর বন্দর থানা, এরপর বাকলিয়া থানা, বর্তমানে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। চেকপোস্টে মাদককাণ্ডে তাকে নিয়েও নানা ঘটনা আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে।

কর্ণফুলী থানার বর্তমান ওসি মো. শাহীনূর আলম এর আগে খুলশী থানার ওসি ছিলেন।

হালিশহর থানার ওসি কাজী মুহাম্মদ সুলতান আহসান উদ্দীন এর আগে সিএমপির বন্দর থানা, তারপর পতেঙ্গ থানায়। এরপর কয়েকদিন চকবাজার থানা বর্তমানে আবারো হালিশহর থানায় কর্মরত। চকবাজার থানার ওসি বাবুল আজাদ আওয়ামী লীগের আমলে কক্সবাজার, চকরিয়া, মহেশখালী হয়ে পরে সিএমপির পাহাড়তলী থানা, তারপর ডবলমুরিং মডেল থানা। বর্তমানে আবারো চকবাজার থানায়। তার কারণও অনেক। যার বিরুদ্ধে পাহাড়সম অভিযোগ রয়েছে।

অন্যদিকে, সদরঘাট থানার ওসি কাজী মো. মাহফুজ হাসান সিদ্দিকী আগে সিএমপির অন্য থানায় তদন্ত ছিলেন পরে সদরঘাট থানায়। পাঁচলাইশ মডেল থানায় বর্তমানে মো. জাহেদুল ইসলাম, এর আগে তিনি সাতকানিয়া থানা হতে ক্লোজ হন, কিছুদিন রাঙ্গুনিয়া থানায় ছিলেন। পরে সিএমপির কর্ণফুলী। বর্তমানে খুলশী হয়ে আবারো সিএমপির পাঁচলাইশ মডেল থানায়। চান্দগাঁও থানার বর্তমান ওসি মো. নুর হোসেন মামুন প্রসিকিউশন হতে সরাসরি থানায়।

ইপিজেড থানার বর্তমান ওসি আতিকুল ইসলাম। এর আগে ২০২২ সালে তিনি লোহাগাড়া থানার ওসি, দীর্ঘদিন ডিএসবি ডিআইও ১ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পতেঙ্গা থানার বর্তমান ওসি মোস্তফা আহমেদ এর আগে একই কমিশনার থাকাকালে বন্দরের ওসি ছিলেন। পাহাড়তলি থানার বর্তমান ওসি মোহাম্মদ নুরুল আবছার নতুন যোগদান করেন। ডবলমুরিং মডেল থানার ওসি মো. জামাল উদ্দিন খাঁন। বায়েজিদ বোস্তামি থানার বর্তমান ওসি মো. আব্দুল করিম এর আগে বোয়ালখালী থানার ওসি ছিলেন। পরে ইপিজেড থানায় দায়িত্ব পালনকালে ক্লোজড হয়ে দামপাড়া। এরপর সদ্য বিদায়ী কমিশনার এর আর্শিবাদে সিএমপি কোতোয়ালী এরপর পাঁচলাইশ মডেল থানা হয়ে বর্তমানে বায়েজিদ বোস্তামী থানায় পদায়ন।

এক কথায় ঘুরেফিরে এরাই সিএমপির ১৬ থানার দখলে। এদের বাহিরে ওসি হয়ে বসা কঠিন। কারণ তদবির আর লবিং খুব শক্ত। অনেকে এক কমিশনারের আমলে ৫ থানা ঘুরছে, আবার কেউ ঘুরছে ৪ থানা, আবার কেউ তিন থানা, কেউ দুই থানা। তারপরেও নতুন কেউ সহজেই সুযোগ পাচ্ছে না। সিএমপিতে ওসি হতে লাগে রাজনৈতিক লবিং লাগে নানা তদবিরের ধাক্কা। না হয় ওসি হওয়া কঠিন। সিটিএসবি আর ডিবি, পিবিআই, কাউন্টার টেররিজমে অনেক চৌকস আর দক্ষ পরিদর্শক রয়েছে। কিন্তু নজর পড়েনি কখনো সদ্য বিদায়ী কমিশনারের।

জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর চট্টগ্রাম মহানগর ও জেলা পুলিশের ভেতরে যে বড় ধরনের প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস শুরু হয়, তার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল থানার এই ওসির পদ। সে প্রক্রিয়ায় ৯ সেপ্টেম্বর একযোগে ৩০ জন পরিদর্শককে বদলি করা হয়।

এর মধ্যে ১৩ জন ছিলেন সিএমপির ওসি এবং জেলার অন্তত ১২ থানার ওসি। এর আগে ২ সেপ্টেম্বর তাদের প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়, যা কার্যত মাঠ পর্যায়ের নেতৃত্বকে একদিনে শূন্য করে দেয়। এ সিদ্ধান্তকে অনেকেই সিস্টেম রিসেট হিসেবে দেখলেও পরবর্তী বদলির ঘটনাগুলো বলছে, এটি ছিল একটি দীর্ঘমেয়াদি রদবদল চক্রের সূচনা।

এর পরপরই ১০, ১২, ১৫ ও ২২ সেপ্টেম্বর একাধিক দফায় নতুন ওসি পদায়ন করা হয়। বাকলিয়া, বন্দর, সদরঘাট, কোতোয়ালি, খুলশী, হালিশহর, চান্দগাঁও, চকবাজার, কর্ণফুলী, পাঁচলাইশ ও ইপিজেড থানায় নতুন মুখ আনা হয়। কিন্তু এই ‘নতুন’ মুখদের বড় অংশই ছিলেন একই সিস্টেমের ভেতরের কর্মকর্তা, গোয়েন্দা পুলিশ, সিটি এসবি বা অন্যান্য ইউনিট থেকে আনা। ফলে বাইরে থেকে নতুন নেতৃত্ব আসেনি, বরং অভ্যন্তরীণ একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর মধ্যেই ক্ষমতা পুনর্বণ্টন হয়েছে।

এরপর ২৮ নভেম্বর কোতোয়ালি থানায় এবং ১৭ ডিসেম্বর পতেঙ্গা ও কর্ণফুলী থানায়ও নতুন ওসি পদায়ন করা হয়। ঘুরেফিরে একই থানায় বদলি নিয়ে প্রশ্ন গত বছরের ২২ অক্টোবর চট্টগ্রামের চার থানায় ওসি রদবদল হয়।

এর আগে ওই বছরের জানুয়ারির শুরুতে সদরঘাট, চান্দগাঁও ও ডবলমুরিং থানায়ও একই ধরনের রদবদল দেখা যায়। ওই আদেশে তিন থানার ওসিকে সরাসরি লাইনওয়ারে পাঠিয়ে নতুন তিন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু লক্ষণীয় বিষয় হলো, নতুন হিসেবে যাদের আনা হয়েছে, তারাও আগে একই মহানগরের গুরুত্বপূর্ণ ইউনিট বা থানায় কর্মরত ছিলেন। ফলে বাস্তবে নতুন নেতৃত্ব আসার পরিবর্তে একটি সীমিত গোষ্ঠীর মধ্যেই দায়িত্ব বণ্টন ঘুরপাক খাচ্ছে।

ওই বছরের ৯ নভেম্বর ও ৬ ডিসেম্বরের আদেশগুলো বিশ্লেষণ করলে আরো স্পষ্ট হয় যে, বদলির ধরনটি অনেকাংশেই “পছন্দের পোস্টিং’ ঘিরে আবর্তিত। যেমন এক থানার ওসিকে সরিয়ে আরেক গুরুত্বপূর্ণ থানায় বসানো হচ্ছে। আবার কয়েক মাস পর তাকে অন্য আরেক ‘হট’ থানায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এর ফলে একটি নির্দিষ্ট সার্কেলের বাইরে নতুন কর্মকর্তাদের প্রবেশের সুযোগ কমে যাচ্ছে।

২০২৫ সালের ৭ ডিসেম্বর সদ্য বিদায়ী সিএমপি কমিশনার হাসিব আজিজের স্বাক্ষরিত আদেশে নগরের ১৬ থানায় ওসি পদে বড় ধরনের রদবদল আনা হয়। বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ওই বদলির যৌক্তিকতা তুলে ধরা হলেও বাস্তবে নতুন মুখের পরিবর্তে পুরোনো ওসিদেরই এক থানা থেকে আরেক থানায় ঘুরিয়ে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে তখন দাবি করা হয়- “লটারির মাধ্যমে” এই রদবদল হয়েছে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, এমন কোনো লটারির বাস্তবতা নেই; বরং পর্দার আড়ালে ছিল প্রভাবশালী তদবির ও লবিং।

গত দেড় বছরে সিএমপির অন্তত ১৬ থানায় দায়িত্ব পালন করেছেন এমন কয়েকজন ওসি আবারও নতুন করে পদায়ন পেয়েছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন বাবুল আজাদ, আফতাব উদ্দিন, আরিফুর রহমানসহ আরও অনেকে। বিশেষ করে বাবুল আজাদকে ঘিরে রয়েছে নানা অভিযোগ- সাংবাদিক নির্যাতন, রাজনৈতিক নেতাকে থানায় এনে মারধর, ঘুষ গ্রহণ, মামলা না নেওয়া ও হয়রানির মতো গুরুতর অভিযোগও তদন্তাধীন রয়েছে।

সদ্যপ্রস্থানকারী সিএমপি কমিশনার হাসিব আজিজের স্বাক্ষরিত গত ৭ ডিসেম্বরের এক আদেশে আবারও নগরের ১৬ থানায় ওসি রদবদল করা হয়। আদেশে দেখা যায়, কোতোয়ালি, বাকলিয়া, পাঁচলাইশ, বন্দর, চকবাজার- প্রায় প্রতিটি থানাতেই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সেই সব কর্মকর্তাকে, যারা গত দেড় বছরের মধ্যেই একাধিক থানা ঘুরেছেন।

যেমন পরিদর্শক বাবুল আজাদ গত এক বছরে পাহাড়তলী, ডবলমুরিং ও চকবাজার থানার দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে সাংবাদিককে থানা হাজতে আটকে রেখে মারধর, বিএনপি নেতাকে নির্যাতন ও ৫০ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে- যা পুলিশ সদর দপ্তর তদন্ত করছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সিনিয়র পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, “ওসি বদলি কমিশনারের এখতিয়ার। কিন্তু নিজের বদলির আদেশ পাওয়ার পর এভাবে হঠাৎ বদলি সচরাচর দেখা যায় না। এতে প্রশাসনিক স্থিতিশীলতা নষ্ট হয়।”

শুধু একজন নয়, একাধিক ওসির বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ থাকলেও তাঁদেরই গুরুত্বপূর্ণ থানায় পুনঃপদায়ন প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলেছে পুরো প্রশাসনিক কাঠামোকে।

বিশ্লেষণে দেখা গেছে, একই কর্মকর্তা ২-৩ বছর নয়, বরং কয়েক মাসের ব্যবধানে একাধিক “গুরুত্বপূর্ণ” থানায় ঘুরে দায়িত্ব পাচ্ছেন। কেউ এক কমিশনারের আমলে ৪-৫টি থানায় দায়িত্ব পালন করেছেন। ফলে নতুন কর্মকর্তাদের জন্য সুযোগ প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে।

এ প্রসঙ্গে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর চট্টগ্রাম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আখতার কবির চৌধুরী বলেন, “একই কর্মকর্তাদের বারবার গুরুত্বপূর্ণ থানায় বসানো হলে স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। বদলি যদি নীতিমালা অনুযায়ী না হয়, তাহলে পুলিশের প্রতি জনআস্থা কমে যাবে।”

বিধি-আইন ও সিআরপিসি কি বলছে:

বাংলাদেশ পুলিশের প্রচলিত বিধি অনুযায়ী- বিশেষ করে পুলিশ রেগুলেশনস অফ বেঙ্গল ১৯৪৩ এবং ক্রিমিনাল প্রসিডিওর কোড ১৮৯৮-এর আলোকে থানার ওসির দায়িত্ব বণ্টন ও কার্যক্রমে পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

সাধারণভাবে একটি থানায় ২-৩ বছর দায়িত্ব পালনের একটি প্রশাসনিক রীতি থাকলেও ঘন ঘন বদলি নিরুৎসাহিত করা হয়, কারণ এতে- স্থানীয় অপরাধচক্র সম্পর্কে ধারাবাহিক ধারণা গড়ে ওঠে না গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহে বিঘ্ন ঘটে। প্রশাসনিক স্থিতিশীলতা নষ্ট হয়।

পুলিশ রেগুলেশনস অব বেঙ্গল (PRB), ১৯৪৩-এর ৩৭৬(বি) ধারা অনুযায়ী, কোনো থানার ওসি সাধারণত দুই থেকে তিন বছর একই থানায় থাকবেন, যাতে তিনি এলাকার অপরাধের ধরন, অপরাধীচক্র ও স্থানীয় তথ্য ভালোভাবে বুঝে কার্যকর পুলিশিং করতে পারেন। চট্টগ্রামের কয়েক মাসের রদবদল এই বিধির পরিপন্থী।

সিআরপিসির ১৫৪ ও ১৫৫ ধারা মামলা গ্রহণ ও তদন্তের পদ্ধতি নির্ধারণ করে দেয়। বারবার বদলির কারণে ওসি মামলার তদন্তের ধারাবাহিকতা রাখতে পারেন না, যা বিচারপ্রক্রিয়াকে দুর্বল করে।

গঠনমূলক সমালোচনা ও বদলি প্রক্রিয়া:

সিএমপি’র বর্তমান চিত্র বলছে, বদলি প্রক্রিয়াটি নীতিনির্ভর না হয়ে ব্যক্তি-নির্ভর হয়ে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। “পছন্দের থানা” ঘিরে অঘোষিত প্রতিযোগিতা, তদবির ও প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ যদি সত্য হয়, তাহলে তা শুধু পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তিই ক্ষুণ্ন করবে না- আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থাকেও দুর্বল করে দেবে।

একই কর্মকর্তাদের বারবার ঘুরিয়ে দায়িত্ব দেওয়ার ফলে- মাঠ পর্যায়ে কার্যকর পুলিশিং ব্যাহত হচ্ছে জনসাধারণের আস্থা কমছে।।নতুন ও মেধাবী কর্মকর্তারা বঞ্চিত হচ্ছেন।

স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতার প্রশ্ন: 

পুলিশ মুখপাত্রের ‘লটারির মাধ্যমে বদলি’ মন্তব্যের বাস্তব কোনো অস্তিত্ব না থাকা এবং পর্দার আড়ালে তদবির চালু থাকা প্রশাসনের স্বচ্ছতা নিয়ে বড় প্রশ্ন তোলে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে ওসি পদায়নে একটি স্বাধীন ও স্বচ্ছ কমিটি গঠন জরুরি।

দুর্নীতি দমন আইন ও মানবাধিকার লঙ্ঘন:

বিতর্কিত ওসিদের বিরুদ্ধে ঘুষ, চাঁদাবাজি ও জরিমানার নামে অর্থ আদায়ের অভিযোগ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর লঙ্ঘন। এ ধরনের অভিযোগ তদন্ত সাপেক্ষে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

সাংবাদিক ও নাগরিকদের নির্যাতনের ঘটনা মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং পেনাল কোড ১৮৬০-এর ধারা ৩২৩, ৩২৫ ও ৩৪২-এ দণ্ডনীয়।

পুলিশের আচরণবিধি লঙ্ঘন: 

পুলিশের নিজস্ব আচরণবিধি অনুযায়ী, কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ থাকলে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে ‘লাইনওয়ারে’ সংযুক্ত রাখা বাধ্যতামূলক। কিন্তু চট্টগ্রামে অভিযোগের মধ্যেই বিতর্কিত ওসিদের বারবার সক্রিয় থানায় পোস্টিং দেওয়া এই বিধি লঙ্ঘনের শামিল।

রদবদল চক্র ও সুপারিশ: 

চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের বর্তমান রদবদল চক্র আইনশৃঙ্খলা রক্ষার বদলে এক ধরনের ‘পোস্টিং বাণিজ্য’ ও ‘ক্ষমতার ঘূর্ণিপাকে’ পরিণত হয়েছে। জননিরাপত্তা ও নাগরিকদের আস্থা ফেরাতে জরুরি ভাবে ওসি পদায়নে একটি লিখিত, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক নীতিমালা প্রণয়ন ও তা জনসমক্ষে প্রকাশ করা। দক্ষ ও সৎ কর্মকর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ থানায় অগ্রাধিকার দেওয়া।

করণীয় কী, ওসি পদায়নে :

বিশ্লেষকরা বলছেন- ওসি পদায়নে একটি স্বচ্ছ, লিখিত ও প্রকাশ্য নীতিমালা থাকতে হবে। বদলি প্রক্রিয়ায় জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।

অভিযোগ থাকা কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদায়ন এড়াতে হবে।

নচেৎ এই ‘ঘুরেফিরে একই ওসি’ সংস্কৃতি দীর্ঘমেয়াদে চট্টগ্রামের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে আরও অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিতে পারে।

এ বিষয়ে সদ্য দায়িত্বপ্রাপ্ত সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী যোগদান না করায় মন্তব্য পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে বিদায়ী কমিশনার হাসিব আজিজ ও অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম) ফয়সাল আহম্মেদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা কোনো মন্তব্য করেননি।

ShareTweetPin
Previous Post

বিকল্প উৎস হতে জ্বালানি ও এলএনজি আমদানির উদ্যোগ

Related Posts

বিকল্প উৎস হতে জ্বালানি ও এলএনজি আমদানির উদ্যোগ
Uncategorized

বিকল্প উৎস হতে জ্বালানি ও এলএনজি আমদানির উদ্যোগ

April 6, 2026
2
দেশে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৫ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকা
Uncategorized

দেশে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৫ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকা

April 6, 2026
2
৪৮৩ কোটি টাকার পাঁচ প্রকল্প একনেক সভায় অনুমোদন
Uncategorized

৪৮৩ কোটি টাকার পাঁচ প্রকল্প একনেক সভায় অনুমোদন

April 6, 2026
1
Uncategorized

স্বপ্ন নির্ভর জীবন যাপন হয়ে উঠছে দুর্বিষহ

April 6, 2026
5
ট্রাম্পের হুমকির পর বাড়ল তেলের দাম
Uncategorized

ট্রাম্পের হুমকির পর বাড়ল তেলের দাম

April 6, 2026
6
নিউইয়র্ক আদালতে জবানবন্দি দেবেন আহসান এইচ মনসুর
Uncategorized

নিউইয়র্ক আদালতে জবানবন্দি দেবেন আহসান এইচ মনসুর

April 6, 2026
2
No Result
View All Result

সাম্প্রতিক

সিএমপিতে ১৬ থানায় একই ওসি সিন্ডিকেট! বদলির নামে ঘুরপাক!

বিকল্প উৎস হতে জ্বালানি ও এলএনজি আমদানির উদ্যোগ

দেশে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৫ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকা

৪৮৩ কোটি টাকার পাঁচ প্রকল্প একনেক সভায় অনুমোদন

স্বপ্ন নির্ভর জীবন যাপন হয়ে উঠছে দুর্বিষহ

ট্রাম্পের হুমকির পর বাড়ল তেলের দাম

সম্পাদক ও প্রকাশক

আহমেদ কবির

প্রধান কার্যালয়

ঢাকা ২৮নং রোড, গুলশান ১, ঢাকা, বাংলাদেশ, ১২১২ বাংলাদেশ

কর্পোরোট কার্যালয়

সানি টাওয়ার, এক্স ব্যুরো অফিস এশিয়ান টিভি ২৯১ সিডিএ অ্যাভিনিউ ২য় তলা, লালখান বাজার, চট্টগ্রাম।

আমাদের অফিসিয়াল ফেসবুক

Copyright © 2018-2025: Dainik Orthoniti II Design By : F.A.CREATIVE FIRM LTD

No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • বাংলাদেশ অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক অর্থনীতি
  • অর্থনীতি সমাচার
  • মহানগর
  • অপরাধ
  • উপজেলা
  • শেয়ার বাজর
  • অর্থ কথা
  • মুদ্রা বাজার
  • বন্দর ও শিল্পনীতি
  • হাটবাজার অর্থনীতি
  • কর্পোরেট আইকন
  • আমদানি রপ্তানি
  • ফিউচার অর্থনীতি
  • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প নীতি
  • দুর্নীতি
    • সারাদেশে দুর্নীতি
  • বাণিজ্য
  • ব্যংকিং অর্থনীতি
  • বিবিধ
    • জেলা উপজেলার অর্থনীতি
    • চাকরি
    • দেশ বিদেশ অর্থনীতি
    • শীর্ষ অর্থনীতি
    • শ্রমিক অর্থনীতি
    • জাতীয় অর্থনীতি
    • স্বাস্থ্য খাত
    • শিক্ষাখাত
    • খেলাধুলা
    • টেলিকম ও প্রযুক্তি
    • সারাদেশ
  • ভিডিও

Copyright © 2018-2025: Dainik Orthoniti II Design By : F.A.CREATIVE FIRM LTD

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Create New Account!

Fill the forms bellow to register

All fields are required. Log In

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In