তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় মালয়েশিয়াসহ বন্ধ থাকা শ্রমবাজারগুলো দ্রুত চালু এবং থাইল্যান্ডসহ নতুন বাজারে জনশক্তি রপ্তানির জটিলতা দূর করার পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে কিছু দেশে নির্দিষ্ট কোম্পানির একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণের কারণে অভিবাসন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় সরকার নির্ধারিত ব্যয় কাঠামো প্রণয়নের কাজ করছে।
তিনি বলেন, চাহিদা অনুযায়ী আমরা একভাবে সরবরাহ করে আসছিলাম, কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে একচেটিয়া ব্যবসার কারণে খরচ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে। এটি নিয়ন্ত্রণে সরকার কাজ করছে।
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিষয়টি নিয়ে দুই দেশের সরকারি পর্যায়ে আলোচনা চলছে এবং দ্রুত ইতিবাচক অগ্রগতি আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তিনি জানান, বিদেশে উচ্চশিক্ষায় যেতে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ সহায়তা দেওয়া হবে, যা প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের মাধ্যমে নির্দিষ্ট খাতে ব্যয় করা যাবে।
সরকারি কর্মকাণ্ডের প্রচার বাড়াতে মন্ত্রণালয়গুলোকে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আরও সক্রিয় থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।
উল্লেখ্য, বৈঠকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।







