নির্বাচনে ভোট দিতে ঢাকা ছেড়েছেন বহু মানুষ। ঢাকা প্রায় ফাঁকা। গতকাল বৃহস্পতিবার ভোট শেষ হলেও এখনো ফেরা শুরু হয়নি। তাই রাজধানীর বাজারগুলো অনেকটাই ফাঁকা। ক্রেতা না থাকায় বিক্রেতাও কম। ফলে বেচাকেনা জমে ওঠেনি। রাজধানীর তিনটি বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
রাজধানীর মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট ও টাউন হল বাজার এবং কারওয়ান বাজারের বিক্রেতারা ক্রেতা না থাকার কথা জানিয়েছেন। সকালে মোহাম্মদপুরের চন্দ্রিমা মডেল টাউন কাঁচাবাজারে গিয়ে দেখা যায়, এখানকার সব মাছের দোকান খোলা হয়নি। সবজিও বিক্রি হচ্ছে হাতে গোনা কয়েকটি দোকানে। ভোটের কারণে ঢাকায় সবজির ট্রাক না আসায় নতুন তাজা সবজিও নেই। একই সঙ্গে বিক্রেতাও কম। খুব বেশি প্রয়োজন না হলে কেউ বাজারে যাচ্ছেন না।
কারওয়ান বাজারে পাইকারি দোকানেও বিক্রির আমেজ নেই। কেউ কেউ দোকান খুললেও খোশগল্প কিংবা মুঠোফোন নিয়ে ব্যস্ত। পেঁয়াজ ও রসুনের আড়তে দেখা যায়, বিক্রি না থাকায় ঘুমিয়ে আছেন এক বিক্রেতা। সকাল থেকে সবজি নিয়ে বসেছেন আরিফ মিয়া। তিনি জানান, টুকটাক বিক্রি হচ্ছে। দুই–এক দিন পর মানুষ ঢাকায় ফিরলে হয়তো বিক্রি বাড়বে।
লেবুর দাম বাড়তি
রাজধানীতে বিভিন্ন বাজারে লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকায়। তবে পাকা লেবু বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা হালি। বিক্রেতারা বলেন, পবিত্র রমজানের পাশাপাশি মৌসুম না থাকায় সরবরাহ কম হওয়ায় দাম বেড়েছে। কারওয়ান বাজারের হালিমা বেগম জানান, ‘আমাদের পাইকারি কিনতে হচ্ছে বেশি দামে, তাই বিক্রিতেও দাম বেশি। কারণ, এখন মৌসুম নয়। তাই মালের আমদানিও (সরবরাহ) কম।’
মুরগির দাম কিছুটা বেশি
বাজারে সবজি ও মাছ কম থাকায় চাহিদা বেড়েছে মুরগির। তাই রমজানের আগে কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা দাম বেড়েছে মুরগির। গত সপ্তাহে সোনালি মুরগি প্রতি কেজি ২৯০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হলেও আজ শুক্রবার বিক্রি হচ্ছে ৩১০–৩২০ টাকায়। একইভাবে ব্রয়লার মুরগির দাম প্রতি কেজি ১৮০ টাকা থেকে বেড়ে এখন বিক্রি হচ্ছে ১৯০ থেকে ২০০ টাকা। তবে মুরগির দাম বাড়লেও ডিম আগের দাম ১১০ টাকা ডজনে বিক্রি হচ্ছে।
বাজার ঘুরে দেখা যায়—
রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি আলু ২০ টাকা, পেঁয়াজ ৬০ টাকা, শিম ৬০ টাকা ও টমেটো ৬০ টাকা এবং একেকটি ফুলকপি ৪০ থেকে ৫০ টাকায় ও লাউ বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়। এ ছাড়া চালের বাজার অপরিবর্তিত রয়েছে।
প্রদা/ডিও







