প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন নির্মাণের জন্য প্রাথমিকভাবে একটি জায়গা চূড়ান্ত করেছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। গণভবনের পাশেই নির্মাণ করা হবে এই বাসভবন। ইতিমধ্যে নকশা প্রণয়নের কাজ শুরু করেছে স্থাপত্য অধিদপ্তর। নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর চূড়ান্ত মতামত নিয়ে ‘প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন’ তৈরির কাজ শুরু করতে চায় গণপূর্ত অধিদপ্তর।
বিগত জুলাই অভ্যুত্থানের পর থেকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘গণভবন’ বর্তমানে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গণভবনকে এখন ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’ হিসেবে রূপান্তরের কাজ চলছে। ফলে ভবিষ্যতের রাষ্ট্রপ্রধানদের জন্য গণভবনের পাশেই একটি নতুন এলাকা নির্ধারিত করা হয়েছে। তবে লুই আই কানের করা সংসদ ভবন কমপ্লেক্সের মূল নকশা অক্ষুণ্ণ রেখে এই নতুন স্থাপনা তৈরি করা সম্ভব কি না, তা নিয়ে বিশেষজ্ঞ মহলে আলোচনা শুরু হলেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এখনই কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
নতুন বাসভবনটি সম্পূর্ণ হতে অন্তত দুই থেকে তিন বছর সময় লাগবে। এ কারণে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের পর শপথ নেওয়া নতুন প্রধানমন্ত্রীর জন্য অস্থায়ী আবাস হিসেবে দুটি বিকল্প প্রস্তুত রাখা হয়েছে। একটি হলো বর্তমান রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ‘যমুনা’ এবং অন্যটি সংসদ ভবন সংলগ্ন স্পিকারের বাসভবন। হবু প্রধানমন্ত্রী চাইলে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের বাসভবন মিলিয়ে একটি বড় পরিসর ব্যবহারের সুযোগও রাখা হয়েছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্তটি মূলত নতুন প্রধানমন্ত্রীর পছন্দের ওপর নির্ভর করবে।
গণপূর্ত অধিদপ্তর জানিয়েছে, স্থাপত্য অধিদপ্তরের তৈরি করা নকশাটি নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর তাদের সামনে উপস্থাপন করা হবে। সেখানে চূড়ান্ত অনুমোদন ও মতামত পাওয়ার পরেই মূল নির্মাণকাজ শুরু হবে। মূলত প্রশাসনিক ও রাষ্ট্রীয় কাজের সুবিধার্থেই সংসদ ভবনের কাছাকাছি এলাকাটিকে বসবাসের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে।
প্রদা/ডিও







