চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামি এলাকায় বাংলাদেশ চা বোর্ডের মালিকানাধীন ৬৫ শতক জমি অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের কাট্টলী সার্কেলের সহকারি কমিশনার (ভূমি) হুছাইন মুহাম্মদের নেতৃত্বে এ অভিযান চালানো হয়।
জমিটি ইস্পাত প্রস্তুতকারক রতনপুর স্টিল রিরোলিং মিলস লিমিটেডের (আরএসআরএম) অঙ্গ প্রতিষ্ঠান মেসার্স মডার্ন স্টিল মিলস লিমিটেডকে ভাড়া দিয়েছিল চা বোর্ড।
বাংলাদেশ চা বোর্ডের উপ-পরিচালক (বাণিজ্য) বলেন, “জায়গা ছেড়ে দিতে ও বকেয়া ভাড়ার জন্য গত প্রায় ৪ বছরে চা বোর্ড বারবার চিঠি দিয়েছে। কিন্তু তারা জমি ছাড়েনি।
“হাই কোর্ট গত বছরের ১ জুন মেসার্স মডার্ন স্টিল মিলস লিমিটেডকে এক মাসের মধ্যে চা বোর্ডের সব পাওনা পরিশোধের আদেশ দেয়। কিন্তু তারা সেটাও করেনি।”
চা বোর্ডের কর্মকর্তারা জানান, মহানগরীর বায়েজিদ বোস্তামী মাজারের পাশে চা বোর্ডের ৬৫ শতক খালি জায়গা ২০০৮ সালে মর্ডান স্টীল মিলস লি/রতনপুর স্টীল মিলস লিঃ-কে ভাড়া দেওয়া হয়েছিল। চুক্তি মোতাবেক ২০২২ সালের পর চা বোর্ডের প্রধান কার্যালয় নির্মাণ ও কর্মচারীদের আবাসন নির্মাণের লক্ষ্যে উক্ত জায়গা খালি করে দেয়ার জন্য ভাড়াটিয়াকে পত্র দেয়া হয়। কিন্তু, ২০২২ সালে ভাড়া চুক্তির মেয়াদ শেষ হলেও ভাড়াটিয়া রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে অবৈধভাবে ৬৫ শতক জায়গা জোরপূর্বক দখল করে রাখে। এমনকি তারা চা বোর্ডের ভাড়া দুই কোটি ২৪ লাখ টাকাও পরিশোধ করেনি।
নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী মাজার সংলগ্ন এলাকায় বাংলাদেশ চা বোর্ডের মালিকানাধীন ৬৫ শতক খালি জায়গা ২০০৮ সালে মর্ডান স্টিল মিলস লিমিটিডকে ভাড়া দেয়া হয়েছিল।
অভিযানের শেষে বিকাল ৫টা ২০ মিনিটে চট্টগ্রামের কাট্টলী সার্কেলের সহকারি কমিশনার (ভূমি) হুছাইন মুহাম্মদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আদালতের নির্দেশে আমরা এখানে এসে জমিটি চা বোর্ডকে বুঝিয়ে দিয়েছি।”
উদ্ধার হওয়া জমিতে মডার্ন স্টিল মিলস লিমিটেডের প্রতিষ্ঠিত একটি বৈদ্যুতিক সাবস্টেশন আছে।
বৃহস্পতিবারের উচ্ছেদ অভিযানে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে ছিল সেনাবাহিনী ও পুলিশ।
প্রদা/ডিও






