জেলা রিটানিং কর্মকর্তার নিকট দাখিলকৃত হলফনামায় তিনি উল্লেখ করেছেন তার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ৫০৭ কোটি ৮০ লাখ ৮ হাজার ১৭১ টাকা। বার্ষিক আয় দেখিয়েছেন ১ কোটি ৫০ লাখ ৭৯ হাজার ৮৯০ টাকা।
তন্মধ্যে স্থাবর সম্পত্তি ৩৩৩ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার ৭৭০ টাকা এবং অস্থাবর ১৭৪ কোটি ৭০ লাখ ৭০ হাজার ৪০১ টাকা।
আবদুল আউয়াল মিন্টু নিজের হলফনামায় স্ত্রী নাসরিন ফাতেমা আউয়ালকে ব্যবসায়ী উল্লেখ করে তার মোট সম্পদের পরিমাণ দেখিয়েছেন ৯৯ কোটি ২৪ লাখ ১৮ হাজার ৬৯৮ টাকা। তন্মধ্যে স্থাবর সম্পত্তি দেখিয়েছেন ২৪ কোটি ৬৬ লাখ ৭৯ হাজার ৬৮৬ টাকা।
এরমধ্যে সোনা ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতু ও পাথরের তৈরি গহনার বিপরীতে (অধিগ্রহণকালে মূল্য) আয়কর বিবরণীর আইটি-১০বি মোতাবেক নিজের নামে মাত্র ২ লাখ টাকার ও স্ত্রী নাছরিন ফাতেমা আউয়ালের নামে দেখিয়েছেন ৪৮ লাখ ৪ হাজার ৬৭৮ টাকার স্বর্ণালংকার।
মেঝো ছেলে তফসির মোহাম্মদ আউয়ালের সম্পদের পরিমাণ দেখিয়েছেন ৪৯ কোটি ৩২ লাখ ১৬ হাজার ৩২২ টাকা। আয় দেখিয়েছেন ৫৩ লাখ ৮১ হাজার ৮৯৫ টাকা। প্রদত্ত আয় করের পরিমাণ দেখিয়েছেন ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৪৪৯ টাকা। ছোট ছেলে তাজোয়ার মোহাম্মদ আউয়ালের সম্পদের পরিমাণ দেখিয়েছেন ২৬ কোটি ১৮ লাখ ৩২ হাজার ৫১৭ টাকা। আয় দেখিয়েছেন ৪৯ লাখ ২৫ হাজার ৬২৯ টাকা। প্রদত্ত আয়করের পরিমাণ ১৩ লাখ ৫৫ হাজার ৪৯৫ টাকা।
তাছাড়া মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দাখিলকৃত হলফনামায় আবদুল আউয়াল মিন্টুর নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতা উল্লেখ করেছেন স্নাতকোত্তর।
বর্তমানে তার বিরুদ্ধে রাজধানীর সিএমএম আদালতে ফৌজদারী দণ্ডবিধির ৩৮৫/৩৮৬/৩৮৭ ধারায় ধানমন্ডি থানার একটি মামলা রয়েছে বলে তিনি হলফনামায় উল্লেখ করেছেন। যা হাইকোর্ট বিভাগের ৪/১১/২০০৭ এর আদেশ মোতাবেক অত্র মামলায় জামিনপ্রাপ্ত এবং পরবর্তী কার্যক্রম উপরোক্ত আদেশ মোতাবেক স্থগিত রয়েছে। ইতোপূর্বে তিনি ২৬টি মামলায় অভিযুক্ত হয়ে সবকয়টিতে নিষ্পত্তি ও অব্যাহতি পেয়েছেন।
হলফনামায় তিনি আরও উল্লেখ করেছেন এর আগে দ্বৈত নাগরিকত্বাধারী ছিলেন। ২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব পরিত্যাগ করেছেন।
প্রদা/ডিও






