অর্থনীতি থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে দেশের শেয়ারবাজার। মুদ্রানীতি ও রাজনীতি কোনোটির সঙ্গেই শেয়ারবাজারের সম্প্রীতি না থাকলেও সারাবিশ্বে শিল্পায়নের মূলধন জোগান আসে এই পুঁজিবাজার থেকেই।
ডিএসই ও সিএসই সূত্রে জানা গেছে।
বিদায়ের পথে থাকা ২০২৫ সালে দেশের পুঁজিবাজারে আর নতুন করে কোন কোম্পানি তালিকাভুক্ত হয়নি। বর্তমান অন্তবর্তী সরকারের সময়ও পুঁজিবাজারে আইপিও আসেনি। তার কারণ হিসেবে ধরে নেওয়া হয়েছে পুঁজিবাজারের প্রতি আস্থাহীনতা তৈরি।
সূচকের সর্বশেষ অবস্থা:
গত ২৪শে ডিসেম্বর (বুধবার) লেনদেন শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্চ এর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ২২.৯ পয়েন্টে বেড়ে ৪ হাজার ৮৮৮ পয়েন্টে স্থিতি পেয়েছে। তবে চলতি বছরের শুরুর দিকে ৫ হাজার ২০০ শত পয়েন্টের উপরে ছিল। যা বছরের সামগ্রিক নিম্নমুখী প্রবণতা নির্দেশ করে। সাম্প্রতিক দিনগুলিতে সামগ্রিক লেনদেনের পরিমাণ কমেছে। গত ২৪শে ডিসেম্বর লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৩.৪ বিলিয়ন অর্থাৎ ৩৪০ কোটি। যা আগের তুলনায় ১৭% কম।
বর্তমান বাজারে চ্যালেঞ্জ
রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও রেগুলারেটরি সংকটের কারণে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে এখনো আস্থার সংকট ও সতর্কতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। পাঁচটি ইসলামী ব্যাংকের একিভূতকরণ এবং তাদের শেয়ারের মূল্য শূন্য হয়ে যাওয়ার বিষয়টি সাধারন বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ভীতির সৃষ্টি করেছে। বিদেশী বিনিয়োগকারীরা ধারাবাহিকভাবে শেয়ার বিক্রি করে বাজার থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন, যা বাজারকে চাপে রেখেছে।
ভবিষ্যৎ পূর্বাভাস:
গ্লোবাল ফান্ড ম্যানেজার, এশিয়া ফ্রন্টিয়াল ক্যাপিটাল ধারণা করছে যে, ২০২৫ সাল একটি চ্যালেঞ্জিং বছর হিসেবে কাটলেও ২০২৬ সালে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও সামষ্টিক অর্থনীতির পুনরুদ্ধার এর মাধ্যমে বাজার আবার ঘুরে দাঁড়াতে পারে।
প্রদা/চন্দ্রীচ/ডিও






