রাষ্ট্রপতি সোমবার (২২ ডিসেম্বর) এ অধ্যাদেশ জারি করেছেন। আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে ‘সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ, পাবলিক নন-ফাইন্যান্সিয়াল কর্পোরেশনসহ স্বশাসিত সংস্থাসমূহে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়সসীমা নির্ধারণ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করা হয়।
সরকারি চাকরির সব স্তরে প্রবেশের বয়সসীমা ৩২ বছর করে গত বছর ১৮ নভেম্বর ‘সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত, সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ, পাবলিক নন-ফাইন্যান্সিয়াল কর্পোরেশনসহ স্বশাসিত সংস্থাসমূহে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়সসীমা নির্ধারণ অধ্যাদেশ, ২০২৪’ জারি করে সরকার।
বিশেষ ক্ষেত্রে এই অসুবিধা নিরসনে বিভিন্ন দপ্তর-সংস্থা থেকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব আসে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, ‘সরকারি অফিসের কম্পিউটার পারসোনেল নিয়োগ বিধিমালা, ২০১৯’-এ বয়সসীমার বিষয়ে বলা হয়েছে-পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক, উপপরিচালক, উপ-মহাব্যবস্থাপক পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রার্থীর সর্বোচ্চ বয়সসীমা হবে ৪৫ বছর। উপপরিচালক/সিস্টেম ম্যানেজার পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতার সঙ্গে বয়সসীমা ৪৫ বছর। এছাড়া মুখ্য রক্ষণাবেক্ষণ প্রকৌশলী, সিনিয়র সিস্টেম অ্যানালিস্ট, সিনিয়র রক্ষণাবেক্ষণ প্রকৌশলীর বয়সসীমাও হবে ৪৫ বছর।
এছাড়া, সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়স সিস্টেম অ্যানালিস্টের ৪০ বছর, সিনিয়র প্রোগ্রামারের ৪০ বছর, অপারেশন ম্যানেজারের বয়স ৪০ বছর, সহকারী সিস্টেম অ্যানালিস্টের বয়স ৩৫ বছর, প্রোগ্রামারের ৩৫ বছর, কম্পিউটার সুপারভাইজারের ৩৫ বছর এবং রক্ষণাবেক্ষণ প্রকৌশলীর ৩৫ বছর নির্ধারণ করা আছে।
নতুন অধ্যাদেশ থেকে ‘আধা-স্বায়ত্তশাসিত’ প্রতিষ্ঠান বাদ দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের ক্ষেত্রে এ অধ্যাদেশের বিধান কার্যকর হবে না।
প্রদা/ডিও






