মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই সপ্তাহে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানা তাকাইচির সঙ্গে টেলিফোন আলাপে চীনের সঙ্গে চলমান উত্তেজনা আর না বাড়ানোর অনুরোধ জানিয়েছেন। বিষয়টির সঙ্গে সম্পর্কিত একাধিক সূত্র এ তথ্য জানিয়ছে।
টাকাইচি সম্প্রতি পার্লামেন্টে বক্তব্য রাখার সময় বলেন, তাইওয়ানে চীনের সম্ভাব্য সামরিক হামলা যদি জাপানের নিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টি করে, তাহলে জাপানের সামরিক প্রতিক্রিয়া জানানো ন্যায়সঙ্গত হতে পারে।
এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বিগত কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় কূটনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি হয় টোকিও ও বেইজিংয়ের মধ্যে। চীন এ বক্তব্যে তীব্র প্রতিবাদ জানায় এবং নিজেদের নাগরিকদের জাপানে ভ্রমণের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে বলে।
সূত্র জানায়, মঙ্গলবারের ফোনালাপে ট্রাম্প স্পষ্টভাবে জানান যে, তিনি পরিস্থিতির আর কোনো অবনতি চান না। তবে তিনি তাকাইচির কাছে কোনো নির্দিষ্ট দাবি তোলেননি বা চীনের মতো বক্তব্য প্রত্যাহারের আহ্বানও জানাননি। জাপান সরকার বলেছে, তাকাইচির মন্তব্য দীর্ঘদিনের জাতীয় নিরাপত্তা নীতির ভিত্তিতেই দেওয়া।
বিষয়টি নিয়ে বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে জাপানের চিফ ক্যাবিনেট সেক্রেটারি মিনোরু কিহারা মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান।
আগামী এপ্রিল মাসে বেইজিং সফরে যাওয়ার কথা রয়েছে ট্রাম্পের। তিনি প্রকাশ্যে বলেননি যে তাকাইচির সঙ্গে বা শির সঙ্গে আলোচনা তাইওয়ান ইস্যুকে কেন্দ্র করে হয়েছিল কিনা। বরং তিনি সম্পর্কের ইতিবাচক দিকটিই তুলে ধরেন।
হোয়াইট হাউজের এক বিবৃতিতে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চীনের সম্পর্ক অত্যন্ত ভালো। এটা আমাদের ঘনিষ্ঠ মিত্র জাপানের জন্যও ভালো। আমরা জাপান, চীন, দক্ষিণ কোরিয়া ও অন্যান্য অনেক দেশের সঙ্গে চমৎকার বাণিজ্য চুক্তি করেছি। বিশ্ব এখন শান্তিতে আছে—আমাদের এ অবস্থাই বজায় রাখা উচিত।
প্রদা/ডিও







