হত্যাচেষ্টা মামলায় শেখ হাসিনাসহ ৩০ জনকে আসামি করে গত ২৭ জুলাই আদালতে অভিযোগপত্র দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ইব্রাহিম খলিল।
এ মামলায় কামরুল ইসলাম, চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনসহ তিনজন কারাগারে রয়েছেন।
প্রান্তকে উদ্ধার করে যাত্রাবাড়ীর সালমান হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক লিমিটেডে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নাদিম চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হন। প্রান্তের চাচার পরিচয়ে নাদিম ২০২৪ সালের ৬ অক্টোবর শেখ হাসিনাসহ ৯৪ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা করেন।
অপরদিকে, যাত্রাবাড়ী থানার রাজমিস্ত্রি মো. বাবুল মৃধা হত্যা মামলায় শেখ হাসিনাসহ ৩৩ জনের বিরুদ্ধে গত ১৩ আগস্ট অভিযোগপত্র দেন যাত্রাবাড়ীর ওই এসআই মাহমুদুল হাসান ইরফান।
শেখ হাসিনা ছাড়াও এ মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন ওবায়দুল কাদের, আসাদুজ্জামান খান কামাল, আনিসুল হক, হাছান মাহমুদ, মোহাম্মদ আলী আরাফাত, শেখ ফজলে নূর তাপস, যাত্রাবাড়ী-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য কাজী মনিরুল ইসলাম মনু, পটুয়াখালী-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এস এম শাহজাদা, পিরোজপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মহিউদ্দিন মহারাজ, বরিশাল-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য পঙ্কজ দেবনাথ এবং বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ, সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন, সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান প্রমুখ।
অপরাধে সংশ্লিষ্টতা না পাওয়ায় এ মামলায় ৩৯ জনকে অব্যাহতি দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। এ মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণের বিষয়ে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।
জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় যাত্রাবাড়ীর দনিয়া ও লাকি কমিউনিটি সেন্টার এলাকায় আন্দোলনে অংশ নেওয়া আবু তালেবকে খুঁজতে বাড়ি থেকে বের হন তার বাবা বাবুল মৃধা। লাকি কমিউনিটি সেন্টার এলাকায় পৌঁছালে তিনি গুলিবিদ্ধ হন।
স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রায় এক মাস চিকিৎসার পর তাকে বিজিবি হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে ২২ আগস্ট তাকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) স্থানান্তর করা হয়। গুলিবিদ্ধ হওয়ার ৫২ দিন পর ২০২৪ সালের ৯ সেপ্টেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় সিএমএইচে মারা যান বাবুল মৃধা।
এ ঘটনায় তার স্ত্রী সীমা বেগম ২০২৪ সালের ১৯ নভেম্বর যাত্রাবাড়ী থানায় হত্যা মামলা করেন। এ মামলায় কাজী মনিরুল ইসলাম মনু, চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনসহ তিনজন কারাগারে রয়েছেন। আট আসামি জামিনে এবং অন্যরা পলাতক।







