ডিবিএফওটি (ডিজাইন, নির্মাণ, অর্থায়ন, পরিচালনা ও হস্তান্তর) ভিত্তিতে গ্রিনফিল্ড প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। মোট জমির মধ্যে ৩২ একর এলাকায় মূল টার্মিনাল, ৭ দশমিক ১৫ একরে কনটেইনার ইয়ার্ড এবং প্রায় ১০ একরে ট্রাক পার্কিং ও প্রি-গেট সুবিধা থাকবে। বার্ষিক কনটেইনার হ্যান্ডলিং সক্ষমতা হবে ৮ লাখ টিইইউএস।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষকে টার্মিনাল নির্মাণে সরাসরি অর্থ বিনিয়োগ করতে হচ্ছে না। চুক্তি অনুযায়ী, প্রথম ৮ লাখ কনটেইনারের প্রতিটির জন্য ২১ ডলার এবং ৮ লাখের বেশি থেকে ৯ লাখ পর্যন্ত প্রতিটির জন্য ২৩ ডলার পাবে বন্দর কর্তৃপক্ষ। এ ছাড়া টার্মিনাল চালুর আগে এককালীন ২৫০ কোটি টাকা ফি পাবে তারা।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়ত হামিম বলেন, ‘এটি হচ্ছে চট্টগ্রাম বন্দরের পঞ্চম কনটেইনার টার্মিনাল। এর আগে চট্টগ্রাম বন্দর আরো চারটি কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণ করেছে। নতুন এ কনটেইনার টার্মিনাল তৈরির মধ্য দিয়ে অর্থনীতির নতুন এক মাইলফলক তৈরি হবে।’
এর আগে রবিবার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, লালদিয়া টার্মিনাল নির্মাণ সরকারের এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্যে বড় মাইলফলক। এর মাধ্যমে চট্টগ্রাম বাংলাদেশের পাশাপাশি পুরো অঞ্চলের লজিস্টিক হাব হিসেবে গড়ে উঠবে।






