ইরান বলেছে, দেশটি যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধের মধ্যেও বাজেটের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে সক্ষম হয়েছে।
এমন সময়ে এই হিসাব প্রকাশ করা হলো, যখন মার্কিন নৌ অবরোধের কারণে ইরানের তেল রপ্তানি ও সমুদ্রপথে বাণিজ্য ব্যাহত হচ্ছে।
বর্তমানে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সংঘাতের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দুতে আছে হরমুজ প্রণালি। বৈশ্বিক জ্বালানি তেল পরিবহনের এক–পঞ্চমাংশই হয় এই জলপথ দিয়ে।
ইরানের কর্মকর্তারা বলে আসছেন, ওয়াশিংটন সমঝোতা স্মারকের প্রতিশ্রুতিগুলো পূরণ না করা পর্যন্ত তেহরান পুরোপুরি হরমুজ প্রণালি খুলবে না। এসব প্রতিশ্রুতির মধ্যে রয়েছে নৌ অবরোধ প্রত্যাহার, বিদেশে আটকে থাকা ইরানের সম্পদ ছাড় এবং নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার।
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা দেশটির অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পেজেশকিয়ান বলেন, ‘কেউ কেউ বলেন, নিষেধাজ্ঞার কোনো প্রভাবই নেই। তাদের কী বলব, সত্যিই আমি জানি না। আমরা যুদ্ধের মধ্যে আছি এবং যুদ্ধকালীন এই পরিস্থিতি আমাদের মেনে নিতে হবে।’







