আইইএ প্রধান ফাতিহ বিরোল বলেন, ‘কৌশলগত মজুদের প্রায় ৮০ শতাংশ সুরক্ষিত রয়েছে।’
আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) কৌশলগত জরুরি মজুদ থেকে দ্বিতীয় দফায় জ্বালানি তেল ছাড়ার আপাতত কোনো পরিকল্পনা নেই। বিষয়টি নিয়ে এখন কোনো আলোচনাও চলছে না বলে সম্প্রতি রয়টার্সকে জানিয়েছেন সংস্থাটির প্রধান ফাতিহ বিরোল।
নরওয়ের একটি জ্বালানি সম্মেলনে ফাঁকে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি জানান, সংস্থাটি বিশ্ব বাজার পরিস্থিতি সব সময় গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।
এর আগে গত মার্চে আইইএ ৪০ কোটি ব্যারেল অপরিশোধিত জ্বালানি তেল মজুদ থেকে ছাড়ে। বাজারে সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগের কারণে এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছিল। বিরোল বলেন, ‘এরপরও কৌশলগত মজুদের প্রায় ৮০ শতাংশ সুরক্ষিত রয়েছে।’
তবে ইউরোপের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) মজুদ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিরোল। জ্বালানি তথ্যভিত্তিক প্লাটফর্ম এজিএসআইয়ের তথ্য অনুযায়ী, ইউরোপে এখন মোট এলএনজির মজুদ আছে প্রায় ৬২ শতাংশ। ডিসেম্বরের ১ তারিখের মধ্যে এ মজুদ ৮০ শতাংশে নিতে চায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)।
বিরোল বলেন, ‘ইউরোপের গ্যাসের মজুদ স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় কম। শীতের আগে এটি একটি উদ্বেগের বিষয়। তবে মধ্যপ্রাচ্য থেকে প্রাকৃতিক গ্যাস পাওয়ার ব্যাপারে ইউরোপ আশাবাদী। একই সঙ্গে রাশিয়া থেকে এলএনজি আমদানি বন্ধ করতে চায় ইউরোপ। ফলে সরবরাহ নিয়ে চাপ আরো বাড়তে পারে। আর যদি ইউরোপে এবার শীতে অতিরিক্ত ঠাণ্ডা পড়ে তাহলে জ্বালানি সংকট আরো প্রকট আকার ধারণ করতে পারে।’







