প্রস্তাবিত নতুন কাঠামোর আওতায় বার্ষিক ২ কোটি টাকা পর্যন্ত টার্নওভার করা ব্যবসা ও কোম্পানিগুলোকে কোনো ন্যূনতম টার্নওভার কর দিতে হবে না।
২ কোটি টাকা পর্যন্ত: ০% (কোনো ন্যূনতম কর দিতে হবে না)
২ কোটি ১ লাখ থেকে ৩ কোটি টাকা: ০.২৫%,
৩ কোটি ১ লাখ থেকে ৪ কোটি টাকা: ০.৫০% এবং
৪ কোটি টাকার বেশি: ১% (বিদ্যমান হার বহাল)।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এ সংক্রান্ত ফাইল এরই মধ্যে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে এবং চূড়ান্ত যাচাই-বাছাইয়ের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।
করের অতীত পটভূমি ও বর্তমান সমস্যা
২০২৪-২৫ অর্থবছর পর্যন্ত বেশির ভাগ কোম্পানির ক্ষেত্রে এ করের হার ছিল ০.৬০ শতাংশ এবং ব্যক্তি মালিকানাধীন ব্যবসার (৪ কোটি টাকার বেশি টার্নওভারে) ক্ষেত্রে ছিল ০.২৫ শতাংশ।
ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই সম্প্রতি অর্থমন্ত্রীকে দেওয়া এক চিঠিতে এ কাঠামোর বৈষম্য তুলে ধরে।
সংগঠনটি দেখায়, কোনো এক ব্যক্তির ব্যবসার বার্ষিক বিক্রি ৫০ লাখ টাকা এবং মুনাফা ৫ শতাংশ (২.৫ লাখ টাকা) হলে তার আয় সাধারণ করসীমার নিচে থাকায় আয়কর দেওয়ার কথা নয়। কিন্তু ১ শতাংশ ন্যূনতম কর ব্যবস্থার কারণে তাকে বাধ্য হয়ে ৫০ হাজার টাকা কর দিতে হচ্ছে।
ঠিক একইভাবে, ১ কোটি টাকা বিক্রি ও ৫ লাখ টাকা মুনাফা করা ব্যবসাকে নিয়মিত ১০ হাজার টাকা করের জায়গায় ১ লাখ টাকা কর পরিশোধ করতে হচ্ছে।
এ নিয়ে কর বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এনবিআরের এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা বড় ধরনের আর্থিক স্বস্তি পাবেন। তবে কম মুনাফা করে কিন্তু টার্নওভার ৪ কোটি টাকার বেশি-এমন বড় ব্যবসা ও কোম্পানিগুলো আগের মতোই লোকসানে থেকেও কর দেওয়ার জটিলতায় আটকে থাকবে বলে তারা সতর্ক করেছেন।
বর্তমানে দেশে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত নয় এমন কোম্পানির করপোরেট কর হার ২৭.৫০ শতাংশ এবং ব্যক্তি করদাতাদের সর্বোচ্চ আয়কর হার ৩০ শতাংশ।






