ভিভিআইপি টার্মিনালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানকে স্বাগত জানান মালয়েশিয়ার ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী জুলকিফলি হাসান এবং তার সহধর্মিণী।
এ সময় শিশু মাইসা নুর আইশা ডা. জুবাইদা রহমানকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানায়। স্বাগত অনুষ্ঠানে মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মনজুরুল করিম খান চৌধুরী এবং ডেপুটি হাইকমিশনার মোসাম্মৎ শাহানারা মনিকাও উপস্থিত ছিলেন।
পরে প্রধানমন্ত্রী ও তার সহধর্মিণীকে লাল গালিচা সংবর্ধনা জানানো হয় এবং সুসজ্জিত বাহিনীর পক্ষ থেকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। গার্ড অব অনার পর্বে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। এরপর বিশেষ মোটর শোভাযাত্রার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে কুয়ালালামপুরের ‘শাংগ্রি-লা’ হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয়। সফরকালে প্রধানমন্ত্রী, তার স্ত্রী এবং সফরসঙ্গীরা এই হোটেলেই অবস্থান করবেন।
প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গীদের মধ্যে রয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, বৈদেশিক কর্মসংস্থানবিষয়ক উপদেষ্টা মাহাদী আমিন এবং প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা এ কে এম শামসুল ইসলাম।
এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তার, পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম এবং প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনও সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন। সরকার গঠনের পরপরই মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম তারেক রহমানকে দেশটি সফরের আমন্ত্রণ জানান। সেই আমন্ত্রণের পরিপ্রেক্ষিতেই প্রধানমন্ত্রীর এই আনুষ্ঠানিক সফর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
দক্ষিণ এশিয়ায় চীন ও ভারতের পর বাংলাদেশ মালয়েশিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য অংশীদার। তবে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে মালয়েশিয়া এখনও উল্লেখযোগ্যভাবে এগিয়ে রয়েছে। অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার লক্ষ্যেই প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরের গন্তব্য হিসেবে মালয়েশিয়াকে বেছে নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
সফরকালে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে পর্যটন ও সংস্কৃতি খাতে সহযোগিতা জোরদারে দুটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।







