টাকা গণনার কাজে পাগলা মসজিদ ও মাদরাসার ছাত্র-শিক্ষক, পার্শ্ববর্তী আরেকটি মাদরাসা আল জামিয়াতুল ইমদাদিয়া মাদরাসার ছাত্র-শিক্ষক, রূপালী ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারী, মসজিদ কমিটির সদস্য ও বিপুল পরিমাণ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যসহ প্রায় ৬০০ জনের একটি দল গণনার কাজে অংশ নেন। এ ছাড়া সার্বিক তদারকি ও নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, সেনাবাহিনী, পুলিশ ও আনসার সদস্যরা।
প্রতিবার সাধারণত তিন মাস পর পর পাগলা মসজিদের দানবাক্স খোলা হলেও এবার ৬ মাস পর পাওয়া গেছে এই টাকা। এর আগে গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর ৩ মাস ২৭ দিন পর দানবাক্স খোলা হলে গণনা শেষে ১১ কোটি ৭৮ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩৮ টাকা পাওয়া যায়।
এ ছাড়া মানুষের মনে আশা পূরণে মানতের বিভিন্ন দানকৃত গবাদিপশু ও অন্যান্য সামগ্রী প্রতিদিন বিকেলে আসরের নামাজের পর প্রকাশ্য নিলাম ডাকের মাধ্যমে বিক্রি করে টাকাগুলো মসজিদের ব্যাংক হিসাব নম্বরে জমা রাখা হয়।
মসজিদের দান থেকে পাওয়া এসব অর্থ সংশ্লিষ্ট মসজিদসহ জেলার বিভিন্ন মসজিদ, মাদরাসা ও এতিমখানার পাশাপাশি বিভিন্ন সমাজ কল্যাণমূলক কাজে ব্যয় হয়।
মসজিদটিকে এবার আন্তর্জাতিকমানের দৃষ্টিনন্দন ইসলামিক কমপ্লেক্স নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দ্রুতই এর কাজ শুরু হবে। যার নামকরণ হবে ‘পাগলা মসজিদ ইসলামিক কমপ্লেক্স’। এটি নির্মাণে প্রাথমিক ব্যয় ধরা হয়েছে ১১৫ থেকে ১২০ কোটি টাকা। সেখানে ৬০ হাজার মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারবেন।







