দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোলের সহযোগিতায় গ্রেফতার সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ।
শনিবার (২০ জুন) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রেস ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী একথা বলেন।
বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনার অগ্রগতি সম্পর্কে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে সরকার দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে। ইন্টারপোলের মাধ্যমে গ্রেফতারের তথ্য পাওয়ার পর ইউএই কর্তৃপক্ষ ৩০ দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র চাইলেও বাংলাদেশ পরদিনই সব নথি পাঠিয়ে দিয়েছে।
তিনি বলেন, ১২ তারিখে আমাদের এনসিবিকে জানানো হয়েছে যে, ইন্টারপোলের রেড নোটিশের ভিত্তিতে তারা তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে। তারা ৩০ দিনের মধ্যে কাগজপত্র পাঠাতে বলেছিল। কিন্তু আমরা ৩০ দিন অপেক্ষা করিনি। পরদিনই সমস্ত কাগজপত্র, ওয়ারেন্ট, মামলার বিবরণী পাঠিয়ে দিয়েছি। অনেক কাগজ আরবিতে অনুবাদ করতে হয়েছে। আমাদের অফিসাররা রাত ৯টা পর্যন্ত কাজ করেছে।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, এখন বিষয়টি ইউএই সরকারের নিজস্ব আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে। তবে বাংলাদেশ সরকার তাকে ফেরাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাবে।
‘চুক্তি থাকুক বা না থাকুক, আইনি পথ আছে’
বাংলাদেশের সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বন্দি বিনিময় বা প্রত্যর্পণ চুক্তি আছে কি না—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, বিষয়টি শুধু দ্বিপক্ষীয় চুক্তির ওপর নির্ভর করছে না। পারস্পরিক আইনি সহায়তার কাঠামোর মধ্য দিয়েই বাংলাদেশ এগোচ্ছে।
তার ভাষায়, ওই দেশের ফেডারেল পুলিশ ডিপার্টমেন্ট আমাদেরকে ইমেইলে ৩০ দিনের মধ্যে কাগজপত্র পাঠাতে বলেছে। সুতরাং প্রশ্নটা অবান্তর। মিউচুয়াল লিগাল অ্যাসিস্ট্যান্সের একটি কাঠামো আছে, আমরা সেই পথেই এগোচ্ছি।
ইউএই থেকে এখনও আনুষ্ঠানিক জবাব আসেনি
বেনজীরকে ফেরানোর বিষয়ে ইউএই কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক জবাব এসেছে কি না—এমন প্রশ্নে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, কাগজপত্র পাঠানো হয়েছে, এখন তাদের আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ আসবে। এর মধ্যে সাপ্তাহিক ছুটিও ছিল। ফলে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পেতে কিছুটা সময় লাগতে পারে।







