চলতি অর্থবছরের ১ জুলাই ২০২৫ থেকে ১৭ জুন ২০২৬ পর্যন্ত সরকারি ও বেসরকারি—উভয় খাতে মোট ৮৫ লাখ ৮৩ হাজার ৫১ টন খাদ্যশস্য আমদানি করা হয়েছে। এর মধ্যে চাল আমদানি হয়েছে ৭৩ লাখ ১৬ হাজার ১৯৪ টন এবং গম আমদানি হয়েছে ১২ লাখ ৬৬ হাজার ৮৫৭ টন।
আমদানির খাতভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, সরকারি ব্যবস্থাপনায় (জিটুজি ও আন্তর্জাতিক টেন্ডার) মোট ১২ লাখ ৬৬ হাজার ৯৮ টন খাদ্যশস্য আমদানি করা হয়েছে। এর মধ্যে চাল ৫ লাখ ৩১ হাজার ৮০ টন এবং গম ৭ লাখ ৩৫ হাজার ১৮ টন।
অন্যদিকে বেসরকারি খাতে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ৭৩ লাখ ১৬ হাজার ৯৫৩ টন খাদ্যশস্য আমদানি করা হয়েছে। এর মধ্যে চাল ৬৫ লাখ ৮১ হাজার ৭৬ টন এবং গম ৭ লাখ ৩৪ হাজার ৮৭৭ টন।
চলতি অর্থবছরে খাদ্য সহায়তা হিসেবে কোনো চাল বা গম আমদানি করা হয়নি। তবে ১৭ জুন একদিনেই মোট ৫ হাজার ১২০ টন খাদ্যশস্য দেশে এসেছে। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ২ হাজার ৯০ টন চাল এবং ৩ হাজার ৩০ টন গম আমদানি হয়েছে।
খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সংগ্রহ শাখার উপসচিব মোহাম্মদ মামুন মিয়া বলেন, ‘১৩ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন খাদ্যশস্য মজুদ থাকলে তা নিরাপদ মজুদ হিসেবে বিবেচিত হয়। সে হিসেবে বর্তমানে দেশের খাদ্য মজুদ অত্যন্ত নিরাপদ অবস্থানে রয়েছে।’
খাদ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (চলতি দায়িত্ব) মো. জামাল হোসেন বলেন, ‘সরকার নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে আমরা নিরলসভাবে কাজ করছি। বর্তমানে খাদ্যশস্যের মজুদ অত্যন্ত সন্তোষজনক পর্যায়ে রয়েছে।’
খাদ্য সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা বলেন, ‘চলতি বোরো মৌসুমে নতুন ধান ও চাল সংগ্রহ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। ফলে আগামী দিনগুলোতে খাদ্যশস্যের মজুদ আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।’
তিনি জানান, গত ৩ মে শুরু হওয়া খাদ্য সংগ্রহ অভিযান আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত চলবে। এ সময় ৫ লাখ মেট্রিক টন ধান, ১২ লাখ মেট্রিক টন চাল, ১ লাখ মেট্রিক টন আতপ চাল এবং ৫০ হাজার মেট্রিক টন গম সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার।
সৌজন্যে: বাসস







