আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, সেখানে আগে থেকেই বিজেপি কর্মীদের জটলা ছিল।
এর কিছু পরেই এজেসি বোস রোড ধরে এগিয়ে আসা বিজেপি সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের তর্কাতর্কি শুরু হয়। পরে বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা তৃণমূলের জমায়েতস্থলে পৌঁছে যান। তৃণমূল কর্মীদের পেতে রাখা চেয়ার ভাঙচুরের অভিযোগও ওঠে তাদের বিরুদ্ধে।
পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলের গণনাকেন্দ্র এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানের সংখ্যা বাড়ানো হয়। এ সময়ও বিজেপি সমর্থকেরা মমতার বিরুদ্ধে ‘চোর চোর’ ও ‘গো ব্যাক’ স্লোগান দিতে থাকেন।
উপস্থিত পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন এবং বিজেপি সমর্থকদের সেখান থেকে সরিয়ে দেন।
এদিকে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের ভবানীপুর আসনে মোট ২০ রাউন্ডে গণনা চলছে। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ২০টির মধ্যে ১২টি রাউন্ডের ফল ঘোষণা হয়েছে। সকাল থেকেই সেখানে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই দেখা গেছে। শুরুতে কখনো মমতা, কখনো তার মূল প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী এগিয়ে ছিলেন। পরে কয়েকটি রাউন্ডে মমতা এগিয়ে গেলেও ব্যবধান কমাতে শুরু করেন শুভেন্দুও। তবে চূড়ান্ত ফল পেতে এখনও অপেক্ষা করতে হবে।
এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত ফলাফল অনুসারে, পশ্চিমবঙ্গে দুই তৃতীয়াংশ আসনে এগিয়ে বিজেপি। যদিও এখনই ফল মানতে নারাজ মমতা।






