বাংলাদেশের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি বহনকারী ছয়টি জাহাজ নিরাপদে চলাচলের অনুমোদন দিয়েছে ইরান সরকার। তবে এর মধ্যে পাঁচটি চালানই ইতোমধ্যে বৈশ্বিক সরবরাহকারীরা বাতিল করেছে।
পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তেহরানে পাঠানো তালিকাটি পুরোনো পরিকল্পনা ও নথির ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছিল।
এসব নথিতে কাতারএনার্জি ও ওমানের ওকিউ ট্রেডিংয়ের ‘ফোর্স মেজর’ ঘোষণা বিবেচনায় নেওয়া হয়নি। ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান যুদ্ধ শুরুর পরপরই, মার্চের শুরুতে এই দুই প্রতিষ্ঠান সব সরবরাহ স্থগিত করে।
ইরানের অনুমোদন
গতকাল ঢাকায় অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত জালিল রাহিমি জাহানাবাদি বলেন, হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের অপেক্ষায় থাকা বাংলাদেশের জ্বালানি বহনকারী ছয়টি জাহাজের নিরাপদ চলাচলের অনুমোদন দিয়েছে ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ।
তিনি বলেন, “বাংলাদেশ আমাদের বন্ধুপ্রতিম ও মুসলিম দেশ। বাংলাদেশিরা দুর্ভোগে পড়ুক, তা ইরান চায় না। হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি পরিবহনে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হবে।”
জ্বালানি বিভাগের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, কাজাখস্তান থেকে বাংলাদেশের তেল কেনার প্রস্তাবে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র সরকার।
তিনি বলেন, এখন ওয়াশিংটন ‘কেস-বাই-কেস’ ভিত্তিতে মতামত দিচ্ছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গ না করেই রাশিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা রয়েছে—এমন নির্দিষ্ট কিছু সরবরাহকারী ও বন্দর থেকেও বাংলাদেশ আমদানি করতে পারছে।







