শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কর্মসংস্থানমুখী দক্ষতা, সৃজনশীলতা এবং তরুণদের আত্মবিশ্বাস গড়ে তুলতে বাংলাদেশের শিক্ষা খাতে বড় ধরনের সংস্কার প্রয়োজন।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, শিক্ষা খাতে সংস্কারের বৃহত্তর উদ্যোগের অংশ হিসেবে সরকার ধাপে ধাপে এ খাতের বরাদ্দকে জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা নিয়েছে। একইসঙ্গে শিক্ষা ব্যবস্থাকে ‘আনন্দের সঙ্গে শেখা’ পদ্ধতিতে রূপান্তরের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
যুক্তরাজ্যের লন্ডনে কুইন এলিজাবেথ-২ সেন্টারে ‘এডুকেশন ওয়ার্ল্ড ফোরাম ২০২৬’-এর একটি অধিবেশনে তিনি এ কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কর্মসংস্থানমুখী দক্ষতা, সৃজনশীলতা এবং তরুণদের আত্মবিশ্বাস গড়ে তুলতে বাংলাদেশের শিক্ষা খাতে বড় ধরনের সংস্কার প্রয়োজন।
তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের গণতান্ত্রিক সংকট কাটিয়ে বাংলাদেশ আবার গণতন্ত্রের পথে ফিরেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নবনির্বাচিত সরকার শিক্ষাব্যবস্থায় সংস্কার আনার জন্য জনগণের শক্তিশালী ম্যান্ডেট পেয়েছে।
“আমাদের জনগণের সবচেয়ে স্পষ্ট বার্তাগুলোর একটি হলো—শিক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তন জরুরি”, যোগ করেন তিনি।
মন্ত্রী আরও বলেন, পরীক্ষাকেন্দ্রিক শিক্ষা থেকে বেরিয়ে এসে কৌতূহল, সৃজনশীলতা, সমস্যা সমাধানের দক্ষতা, সাংস্কৃতিক চর্চা, খেলাধুলা এবং মানসিক সুস্থতাকে গুরুত্ব দেয় এমন শিক্ষাব্যবস্থার দিকে যেতে হবে।
“আনন্দের সঙ্গে শেখা”-কে সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত দিক উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের শুধু একাডেমিক সনদ নয়, বরং কর্মসংস্থান, উদ্যোক্তা হওয়া এবং উদ্ভাবনের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা, মূল্যবোধ ও আত্মবিশ্বাসও অর্জন করতে হবে।






