সোমবার জারি করা এক সতর্কবার্তায় দূতাবাস জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে ইসরায়েল জুড়ে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার পরিধি, মাত্রা ও তীব্রতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এতে হতাহতের সংখ্যা যেমন বাড়ছে, তেমনি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে স্থাপনা ও সম্পদ।
দূতাবাস জানায়, আশ্রয়কেন্দ্রে সময়মতো পৌঁছাতে না পারায় একাধিক ঘটনায় মানুষ হতাহত হয়েছেন।
এ ছাড়া ইসরায়েল হোম ফ্রন্ট কমান্ডের নির্দেশনা কঠোরভাবে মেনে চলতে, বাসা ও কর্মস্থলের কাছাকাছি নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্র নিশ্চিত করতে এবং সাইরেন বাজলে দ্রুত সেখানে প্রবেশ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
দূতাবাস আরও জানায়, আগামী বুধবার মিশরের দক্ষিণ সিনাই প্রদেশের তাবা সীমান্ত ক্রসিং হয়ে চীনা নাগরিকদের (হংকং, ম্যাকাও ও তাইওয়ানসহ) আরেকটি দলকে সরিয়ে নেওয়া হবে। বিশেষ করে উচ্চঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় থাকা নাগরিকদের দ্রুত প্রস্তুতি নেওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি ইরানে নিরাপত্তা পরিস্থিতি খারাপ হতে পারে এমন আশঙ্কায় সেখানে ভ্রমণ না করার পরামর্শ দেয় চীন।






