ঈদের ছুটির দ্বিতীয় দিন আজ। টানা সাত দিনের ছুটি পাচ্ছেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।পরিবারের সবার সাথে ঈদ উদযাপন করতে ভোর থেকেই ঢাকা ছাড়ছেন ঘরমুখো মানুষ। ঈদযাত্রার ভোগান্তি আর ভিড় এড়াতে অনেকেই আগেভাগে ফিরছেন বাড়ি।
ছুটির শুরুর দিনে রেল ও সড়ক পথে দেখা যাচ্ছে রাজধানী ছাড়া মানুষের ঢল। গত কয়েকদিনের তুলনায় কমলাপুর রেলস্টেশনে বেড়েছে ঘরমুখো মানুষের চাপ।প্ল্যাটফর্মগুলোতে প্রবেশে অবশ্য বেশ কড়াকড়ি ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।আজ
সকাল ৮টা পর্যন্ত কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে ছেড়ে গেছে ১১টি ট্রেন।এর মধ্যে ৯টি আন্তঃনগর ও ২টি কমিউটার ট্রেন।
এদিকে, চাপ বেড়েছে সড়ক পথেও।সকাল থেকেই গাবতলী বাস টার্মিনাল থেকে বাসে করে বাড়ির পথ ধরেছেন অনেকে। ছুটি লম্বা থাকায় ঈদযাত্রা স্বস্তির হবে এমন আশা ঘরমুখো যাত্রীদের। ঈদযাত্রা নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী রয়েছে সতর্ক অবস্থানে।
চলতি বছরের সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ২১ মার্চ ঈদের দিন সাধারণ ছুটি। এছাড়া ১৯ ও ২০ মার্চ এবং ২২ ও ২৩ মার্চ-ঈদের আগে ও পরে দুই দিন করে মোট চার দিন নির্বাহী আদেশে ছুটি নির্ধারিত ছিল। ফলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ১৯ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত টানা পাঁচ দিনের ঈদের ছুটি আগে থেকেই নির্ধারিত ছিল।
তবে নির্ধারিত ছুটি শুরুর আগে মাঝখানে ১৮ মার্চ অফিস খোলা থাকায় ঘরমুখো মানুষের নির্বিঘ্ন যাত্রা নিশ্চিত করতে ওই দিনও ছুটি দেওয়ার দাবি ওঠে। এর পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রিসভার বৈঠকে ১৮ মার্চ ছুটি দেওয়ার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। পরে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় নির্বাহী আদেশে ওই দিন ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করে।
এর ফলে ১৮ মার্চের নির্বাহী আদেশে ছুটিসহ সরকারি চাকরিজীবীরা ১৭ মার্চ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত টানা সাত দিনের ছুটি পাচ্ছেন।
ঘোষিত ছুটির দিনে দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে। তবে হাসপাতাল ও জরুরি চিকিৎসা সেবা, চিকিৎসক ও সংশ্লিষ্ট কর্মী এবং ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম বহনকারী যানবাহন এই ছুটির আওতার বাইরে থাকবে।
এছাড়া বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি সরবরাহ, ফায়ার সার্ভিস, বন্দর কার্যক্রম, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট, ডাক সেবা এবং এসব সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মী ও যানবাহনও জরুরি সেবার আওতায় স্বাভাবিকভাবে কার্যক্রম চালিয়ে যাবে।







