শুক্রবার থেকে চট্টগ্রাম বন্দরের সব কার্যক্রম চালু থাকবে। এতে কেউ বাধা দিলে সরকার কঠোর অবস্থানে যাবে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) সাখাওয়াত হোসেন।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বন্দর ভবনের আন্দোলনরত শ্রমিকদের ১৪ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল উপদেষ্টার সঙ্গে আলোচনায় অংশ নেন। এরপর উপদেষ্টার আশ্বাসে শুক্রবার ও শনিবার কর্মসূচি স্থগিত করা হয়।
এদিকে, শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘রোজার আগে পোর্ট বন্ধ করে আন্দোলন অত্যন্ত অমানবিক। এর ফলে বিমানের জ্বালানি বা এভিয়েশন ফুয়েল আটকে যাওয়ায় এয়ারলাইনসগুলোর ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জাতীয় স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে কোনো আপস করা হবে না এবং দেশের ১৮ কোটি মানুষকে জিম্মি করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়’।
তিনি আরও বলেন, ‘এই সমস্যা নিরসনে আলোচনা চলছে। পোর্টের অচলাবস্থার কারণে যে আর্থিক ক্ষতি হয়েছে, তা নিরূপণে একটি ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং মিশন পরিচালনা করা হবে। যদি আন্দোলনকারীরা আশ্বস্ত না হয়ে কাজে বাধা দেয়, তবে সরকার হার্ডলাইনে যেতে বাধ্য হবে। এছাড়া এই আন্দোলনের পেছনে অন্য কোনো ইন্ধন বা উদ্দেশ্য আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে। আশা করছি, আলোচনার মাধ্যমে দ্রুতই পোর্ট সচল হবে’।
এদিকে গত ৫ দিনের মতো ষষ্ঠ দিনেও অচল চট্টগ্রাম বন্দর, আটকে আছে ৮ হাজার কোটি টাকার রপ্তানি পণ্য। জেটিতে যেমন কাজ হচ্ছেনা তেমনি বাইরে পণ্য খালাসেও অচলবস্থা। কর্মবিরতির ফলে বিভিন্ন জেটি ও ডিপোতে প্রায় সাড়ে ৫৪ হাজার কনটেইনার আটকা পড়েছে। পাশাপাশি বহির্নোঙরে খোলা পণ্য নিয়ে অপেক্ষমাণ রয়েছে ১৪২টি জাহাজ।
প্রদা/ডিও







