ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সম্প্রতি গুজরাতের সুরাটে ২১ কোটি টাকায় নির্মিত একটি পানির ট্যাঙ্ক পরীক্ষামূলক ভাবে পানি ভরলে কয়েক মিনিটের মধ্যে ফেটে পড়ে। কোনো প্রাকৃতিক দূর্যোগ নয়, কোনো ভূমিকম্পও নয় আচমকা শুধু পানির চাপেই ভেঙে পড়ে কাঠামো।
গত ১৯ জানুয়ারি ১৫ মিটার উঁচু এই জলের ট্যাঙ্ক পরীক্ষা করার জন্য ভর্তি করেছিলেন ইঞ্জিনিয়াররা। তারকেশ্বর গ্রামে রয়েছে এই জলের ট্যাঙ্ক। আসলে এই জলের ট্যাঙ্কের কতটা ক্ষমতা, তা পরীক্ষা করার জন্যই ইঞ্জিনিয়াররা সুবিশাল এই ট্যাঙ্ক জলপূর্ণ করেছিলেন । আর তাতেই ঘটে বিপত্তি। উদ্বোধন হওয়ার আগেই হুড়মুড় করে ভেঙে পড়েছে ওই বিশাল আয়তনের ট্যাঙ্ক। ৯ লক্ষ লিটার জল ভরা ছিল ওই ট্যাঙ্কে। অত বড় ট্যাঙ্কে জল ভরার পরেই যে তা হুড়মুড় করে ভেঙে পড়ে যাবে, তা কল্পনা করেননি কেউই।
চোখের সামনে অত বড় জলের ট্যাঙ্ক ভেঙে বিপুল পরিমাণে জল বেরিয়ে আসায়, একপ্রকার জলোচ্ছ্বাস তৈরি হয়েছিল ওই এলাকায়। জলের ট্যাঙ্ক আচমকা ভেঙে পড়ায় তিনজন শ্রমিকও আহত হয়েছিল। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারাও। তাঁদের অভিযোগ, নিম্নমানের উপকরণ দিয়ে তৈরি করা হয়েছিল জলের ট্যাঙ্কটি। তাই জন্যই এই পরিণতি হয়েছে।
এই একটি ঘটনাই প্রশ্ন উঠে যায় এতো বড় বাজেটের নির্মাণ এতো দূর্বল হয় কিভাবে?
এই ঘটনার কিছুদিন আগেই গুজরাটে প্রশাসনকে ভেঙে ফেলতে হয় নেহরু আমলে নির্মিত প্রায় ৭০ বছরের পুরোনো একটি ট্যাঙ্ক। জানা যায়, সেটি জরাজীর্ণ ছিল তবুও দাড়িয়ে ছিল ৭ দশক। অথচ, নতুন ট্যাঙ্ক টিকতে পারেনি ২১ মিনিটেও।
এছাড়াও, এর আগে গুজরাটে নির্মিত ধামেরা সেতুও ভেঙে পড়ে। তার আগে দেশ কাপাঁই মোরবি সেতু বিপর্যয়, যেখানে প্রাণ গিয়েছিল শতাধিক মানুষের। আবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সংসদীয় এলাকা বারাণসীতে নির্মাণ শেষ হওয়ার আগেই ভেঙ্গে পড়ে এক উড়াল সেতু। সবচেয়ে বিস্ময়কর দাবী বিহারের মধ্যে মাত্র ১৮ দিনেই ভেঙে পড়ে একের পর এক ১২টি সেতু।
প্রদা/ডিও






